পিরোজপুর অফিস ও স্বরূপকাঠি সংবাদদাতা
স্বরূপকাঠির ইন্দুরহাট-মিয়ারহাট বন্দরের সংযোগ সেতুটি সরু এবং সড়ক অপ্রশস্ত হওয়ায় প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন পথচারীসহ ব্যবসায়ীরা। ঈদকে সামনে রেখে ভোগান্তি আরো বেড়েছে। উভয় বন্দরের সঙ্গে লাগোয়া সরকারি স্বরূপকাঠি কলেজ, ফজিলা রহমান মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেতু ও বন্দর পেরিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময় যানজটের কারণে ছাত্রছাত্রীদেরও ভোগান্তি পোহাতে হয়। ১৯৯৬-১৯৯৭ সালে পিরোজপুর সড়ক বিভাগের অধীন নাজিরপুর-স্বরূপকাঠি-মিয়ারহাট সংযোগ ইন্দুরহাট নদীর ওপর ৭২ মিটার স্প্যানের আরসিসি ফুটওভার ব্রিজটি নির্মাণ হয়। এটি সরু হওয়ায় দুইটি রিকশা আসা-যাওয়ার সময় মানুষের চলাচল কষ্টকর হয়ে পড়ে। সম্প্রতি সন্ধ্যা নদীতে ফেরি সার্ভিস চালু হওয়ায় এ সেতু দিয়ে প্রতিনিয়ত মিনি ট্রাক, মাহেন্দ্রা, অ্যাম্বুলেন্স, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করায় ভোগান্তি বেড়েছে। ব্রিজটি এত সরু যে, একপ্রান্তে গাড়ি উঠলে অপরপ্রান্তে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখতে হয়। বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, পদ্মা সেতু ও পিরোজপুর-নাজিরপুর-স্বরূপকাঠি সড়কের কালিগঙ্গা নদীর ওপর কলাখালী ব্রিজের নির্মাণকাজ শেষে চালু হলে যানবাহন আরো বাড়বে। এছাড়া সেতুটির দুই প্রান্তের ঢাল সুরক্ষিত না হওয়া প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। ইন্দুরহাট বন্দর কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ বলেন, সেতুটি সরু এবং বন্দরের সড়ক অপ্রশস্ত হওয়ায় যানজট এখন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক জানান, সমস্যা সমাধানে বিকল্প সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণের চিন্তাভাবনা চলছে।