সিলেট অঞ্চলে বারবার মৃদু ভূমিকম্প দেখা দেওয়ায় বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা হয়েছে। ভূমিকম্প সম্পর্কে আমরা কতটা সচেতন আছি সে ব্যাপারে পাঠকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকের মতামত আজ প্রকাশিত হলো।
অন্যান্য দুর্যোগের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া গেলেও, ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায় না। ফলে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বিরাট ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বাংলাদেশ বিশ্বের ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি। অনিয়ন্ত্রিত এবং অপরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণ বর্তমানে ভূমিকম্পের অন্যতম কারণ। শহরাঞ্চলের বেশির ভাগ অবকাঠামোই ভূমিকম্প অসহনীয়। অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে ভূমিকম্প সহনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যে অবকাঠামোগুলো অবস্থানগতভাবে দুর্বল, সেগুলো পরীক্ষা করে মজবুত করতে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
মাহমুদা সুলতানা তামিম
আজিমপুর, ঢাকা
মৃদু ভূকম্পন উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কারণ না হলেও মাঝারি ও তীব্র মাত্রার ভূকম্পন জীবন ও সম্পদের জন্য ভয়াবহ হুমকির কারণ। যে হারে দেশে ত্রুটিপূর্ণ নকশার পাকা ভবন, রাস্তাঘাট ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশে বাড়বে। তাই আইন মেনে ভবন নির্মাণে সচেষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সরকারের সংশ্লিষ্ট পক্ষকেও এ ব্যাপারে কঠোর হতে হবে। এছাড়া জোরদার করতে হবে জনসচেতনতা কার্যক্রম।
এ এফ এম সালাহউদ্দীন
বান্দরবান
অন্যান্য দুর্যোগ অপেক্ষা অনেকটাই ভিন্নতর ভূমিকম্প মোকাবিলায় আমাদের দেশের সক্ষমতা এখনো বলার মতো পর্যায়ে নেই। আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি রয়েছে পর্যাপ্ত ও দক্ষ জনবলের ঘাটতি। তাছাড়া বিল্ডিং কোড উপেক্ষা করেই শহর ও গ্রাম—সর্বত্র বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। সিংহভাগ মানুষেরই ভূমিকম্পকালীন করণীয় সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা বা জ্ঞান নেই। মাঝারি বা তীব্র মাত্রার ভূমিকম্প দুর্যোগ থেকে জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নিয়ম মেনে বিল্ডিং কোড অনুসরণপূর্বক ভবন তৈরি করতে হবে।
মোহাম্মদ ফয়সাল
পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম।
ভূমিকম্পের পূর্বাভাস ঠিকভাবে নির্ণয় না করা গেলেও যথাযথ প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব। এক্ষেত্রে জনসাধারণের কিছু করণীয় আছে। যেমন: ভূমিকম্পের আগে, ভূমিকম্পের সময় ও পরে কী করা উচিত, সে বিষয়ে জ্ঞান নাগরিক হিসাবে প্রত্যেকের রাখা দায়িত্ব। অতিরিক্ত মাটি কর্ষণ করলে, পরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণ না করলে, প্রয়োজনীয় বিল্ডিং কোড মেনে না চললে কী ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। বাংলাদেশ প্লেট বাউন্ডারির অধীনে না থেকেও দুর্বল অবকাঠামো, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, প্রয়োজনীয় বিল্ডিং কোড মেনে না মানার কারণে এবং যেখানে সেখানে উঁচু দালানকোঠা ও ভবন নির্মাণের ফলে বাংলাদেশ ভূমিকম্পের দেশ হিসাবে পরিচিতি পাচ্ছে। আমাদের উচিত সময় থাকতে পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
ফারহানা ইয়াসমিন
অভয়নগর, যশোর
সিলেটে গত ২৯ মে সাড়ে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে পাঁচবার ভূমিকম্পের পর ভোররাতে আরেকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি ভেদে বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে সিলেট সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ তথা প্রথম বলয়ে রয়েছে। ২ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আমাদের এখনই সচেতনতার জানান দেয়। যেহেতু ভূমিকম্পের পূর্বাভাস কখনোই পাওয়া সম্ভব নয়, তাই কেবল সচেতনতাই পারে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে। দুর্যোগকালীন সময়ে না ঘাবড়ে, সচেতনভাবে মোকাবিলা করার মাধ্যমেই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।
ফাতিমা তুজ জোহরা
যশোর
সম্প্রতি সিলেটে কয়েকদফা ভূমিকম্পে যেন টনক নড়ল সবার। মাত্রা কম হলেও বড় ধরনের ভূমিকম্পের জন্য রাখতে হবে প্রস্তুতি। যেহেতু ভূমিকম্পই একমাত্র প্রাকৃতিক দুর্যোগ যার কোনো পূর্বাভাস নেই, তাই যে কোনো বড় ধরনের ভূমিকম্পে আমাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। আমাদের দেশের শহরগুলো খুবই ঘনবসতিপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভূমিকম্প মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ হলো বিল্ডিং কোড মেনে বিল্ডিং তৈরি করা। প্রশাসনকে এই বিষয়ে কড়া নজর রাখতে হবে। সর্বোপরি পূর্বপ্রস্তুতিই হতে পারে ভূমিকম্প মোকাবিলার একমাত্র পন্থা।
সাদিয়া সরকার অনি
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ভূমির প্রকৃতি ও গঠন অনুসারে বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। এছাড়া দেশের সীমান্তের পার্শ্ববর্তী কিছু অঞ্চল ভূমিকম্পের উত্পত্তিস্থল হওয়ার দরুন আমাদের বিপদের মাত্রা সব সময়ই বহু গুণ বাড়তি। এছাড়া ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সামলানোর প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বাংলাদেশের এখনো নেই। তবুও অপরিকল্পিত নগরায়ণের পরিধি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিল্ডিং কোডের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত না করেই যত্রতত্র ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে করে বাড়ছে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি। ভূমিকম্প দুর্যোগের ঝুঁকি প্রশমনে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে। সর্বোপরি মধ্যবর্তী বা বড় মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে বিল্ডিং কোড মেনে ভূমিকম্প সহনশীল ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই।
আবু ফারুক , বান্দরবান।
সম্প্রতি সিলেট অঞ্চলে টানা বেশ কয়েক বার ভূমিকম্প কেবল অস্বাভাবিকই নয়, একই সঙ্গে এটি আমাদের জন্য ভয়াবহ পরিণতিরও বার্তাবাহক। ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণে জোর তদারকি না বাড়ালে এই দুর্যোগ ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি প্রাণহানিরও উপলক্ষ্য হবে। তাছাড়া ভূমিকম্প পূর্ববর্তী, ভূমিকম্পকালীন এবং ভূমিকম্প-পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সব স্তরের মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
আবুল কাশেম
বহদ্দারহাট, চট্টগ্রাম।
সাধারণত কোনো এলাকায় বড় মাত্রার একটি ভূমিকম্প সংগঠিত হওয়ার পূর্বে কেম মাত্রার অনেকগুলো ভূমিকম্প হয়ে থাকে। সিলেট এলাকা এবং এর আশপাশে ছোট মাত্রার যে ভূমিকম্প সংঘটিত হচ্ছে তা বড় মাপের ভূমিকম্পেরই পূর্বাভাস। ভূমিকম্প সম্পর্কে আগে থেকে যেহেতু পূর্বাভাস পাওয়া যায় না, তাই আমাদের সেভাবে সতর্ক হতে পারার উপায়ও নাই। ভূমিকম্পে ক্ষতি কমিয়ে আনতে বা সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য যে সব কাজ করা যেতে পারে তা হলো—পুরাতন বাসাবাড়ি ও ভবন বিল্ডিং কোড মেনে মেরামত করা অথবা ভেঙে ফেলা, নতুন যে সব বাড়িঘর হচ্ছে সে সব অবশ্যই আইন মেনে ভূমিকম্প নিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তৈরি করা, ফায়ার সার্ভিস বাহিনীকে সদাপ্রস্তুত রাখা এবং ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার জন্য এখনই প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
কামরুজ্জামান
শ্রীপুর, গাজীপুর।
সিলেটে ছোট ছোট ভূমিকম্প হওয়া অনেকটা অশনিসংকেত। বিশেষজ্ঞদের মতে বড় কোনো ভূমিকম্প হওয়ার আগে ছোট ছোট ভূমিকম্প সংঘটিত হতে পারে। তাই ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের জন্য যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়। সুতরাং ভূমিকম্পের সচেতনতামূলক প্রচার/প্রচারণাসহ সব প্রস্তুতি এখনই নেওয়ার দরকার।
আল-মায়ামী
ফুলবাড়িয়া, সাভার
গত শনিবার সিলেটে দফায় দফায় ভূমিকম্প হয়েছে। এতে জনমনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সত্যিকার অর্থে ভূমিকম্প মোকাবিলায় আমাদের নেই প্রস্তুতি, নেই সচেতনতা। শুধু ভূমিকম্প মোকাবিলায় সচেতনতা নয়, জীবনের প্রত্যেকটি বিষয়ে চলার পথে এই সচেতনতা শব্দটি ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
আমাদের দেশে ছোট ছোট ভূমিকম্প অনেক বার হয়েছে। ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সারা দেশে নগর পরিকল্পনায় অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজউদ্দিন
পুরানা পল্টন, ঢাকা
আমাদের দেশে ভূমিকম্পের সচেতনতা-মূলক সব কার্যক্রম এখনই নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
প্রহরী মনিরুজ্জামান
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করতে হবে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
হোসনে আরা বাশার নীলা
হাজারী বাগ, ঢাকা
ভূমিকম্প মোকাবিলায় আমাদের দেশে ব্যাপক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। যথাযথ পরীক্ষার মাধ্যমে সব ভবনের ভূমিকম্পের প্রতিরোধ সার্টিফিকেট দেওয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। নতুন নতুন ভবন নির্মাণ ও অন্যান্য উচ্চ স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। সাধারণ মানুষকে ভূমিকম্প সম্পর্কে কর্মশালা ও সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।
মো. মামুন
বংশাল, ঢাকা
ভূমিকম্পের আগাম কোনো আভাস পাওয়া যায় না। তারপরও আমাদের সরকারি/ বেসরকারি পর্যায়ে উদ্ধারকারী বিভিন্ন টিম গঠন করে প্রস্তুত থাকতে হবে।
আলহাজ মো. হাফিজুর ইসলাম চৌ:(হিফজু)
রাজশাহী-৬২০২
সিলেটে বারবার ভূমিকম্প দেখা দেওয়ায় শঙ্কায় রয়েছে মানুষ। ভূমিকম্প সম্পর্কে মানুষ এখনো সচেতন নয়। ভূমিকম্পে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
ভূমিকম্পের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে কমবেশি আমরা সবাই অবগত হলেও ভূমিকম্প চলাকালীন করণীয় সম্পর্কে যেমন আমরা উদাসীন, ঠিক তেমনই আমরা উদাসীন থাকি ভূমিকম্পে আশু ক্ষতির ব্যাপকতা কমাতে আমাদের করণীয় নিয়ে। ভূমিকম্প চলাকালীন সময়ে আমাদের অবশ্যই খোলা ময়দানে বের হয়ে আসা উচিত। আর ভূমিকম্পে আশু ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রাকৃতিক পরিমণ্ডল সহনীয় নির্মাণপ্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন।
মো. ফখরুল ইসলাম টিপু
সেনবাগ, নোয়াখালী।
ভূমিকম্পের জন্য সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। সারা দেশের মধ্যে সিলেট অঞ্চলকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে ধরা হয়। ভূমিকম্পের ব্যাপারে সচেতন থাকা, সতর্কতা অবলম্বন করা একান্ত জরুরি।
সালেহা আফরিন বেবী
শিবগঞ্জ, সিলেট।
ভূমিকম্প সম্পর্কে জানতে হবে, জানাতে হবে, নিজের প্রয়োজনে, সমাজের প্রয়োজনে।
মো. ফিরোজ আহম্মেদ
মিরপুর
পৃথিবীর ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা অন্যতম এবং সেই সঙ্গে ঢাকায় রয়েছে অপরিকল্পিত নগরায়ণ। শক্তিশালী ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকায় ১০ শতাংশ ভবন ধসে যেতে পারে এবং প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে ২ লাখ মানুষের। তাই ভূমিকম্প হওয়ার আগেই আমাদের যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মো. জিল্লুর রহমান
গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোনো বিল্ডিং কোড না মানার কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্পে অথবা মাঝারি ভূমিকম্পেও বড় ধরনের দুর্যোগ সৃষ্টি হতে পারে। এরকম কিছু ঘটার আগে সবার মধ্যে ব্যাপক সচেতনতার প্রয়োজন। সরকারি উদ্যোগে দেশের সব অবকাঠামোর পরীক্ষানিরীক্ষা করা দরকার।
এস এম হূদয় রহমান
ফ্রিল্যান্স সংবাদকর্মী।