‘চট্টগ্রাম মহানগরীর খাল-নালা-জলাধারের মুখে দেওয়া বাঁধগুলো দ্রুত কাটুন, অন্যথায় গলা সমান পানির নিচে নগরবাসীকে ডুবে থাকতে হবে। বর্ষা আসন্ন, তাই বাঁধগুলো এ মাসের মধ্যে দ্রুত অপসারণ করুন।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্দরকিল্লায় সিটি করপোরেশনের পুরোনো নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ষষ্ঠ নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরবর্তী ১০০ দিনের মধ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে ক্রাশ প্রোগ্রামের অগ্রগতি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।
মেয়র বলেন, যত বড় প্রভাবশালী হোক না কেন কর্ণফুলী নদী ও নালা-নর্দমায় পলিথিন বর্জ্য নিক্ষেপকারী, নগরীর পাহাড় কর্তনকারী এবং ফুটপাত দখলদারিদের নজিরবিহীন কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। এদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন শিগিগরই জরিমানার বিধান করবে। যারা নগরীর বড় বড় খালের সীমানা লঙ্ঘন করে ভবন ও প্রাচীর তুলে খালগুলোকে সংকুচিত করে পানি প্রবাহ বন্ধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র তার নির্বাচনি ইশতেহার অনুসারে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে নগরীর নানা মাত্রিক উন্নয়নে পরবর্তী ১০০ দিনের ক্রাশ প্রোগ্রামের অগ্রগতি তুলে ধরতে গিয়ে জানান, ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২২টি ওয়ার্ডে গৃহীত উন্নয়ন কাজের শতভাগ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। বাদবাকি ১৯টি ওয়ার্ডের কাজের মধ্যে ৭৫ থেকে ৯৫ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি এসবের বিবরণ পড়ে শোনান।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ড কাউন্সিলার ও প্রথম প্যানেল মেয়র আবদুস সবুর লিটন, দ্বিতীয় প্যানেল মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দীন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। এছাড়া নির্বাচিত কাউন্সিলরবৃন্দ, করপোরেশনের নির্বাহী বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।