দেশে চাহিদা বাড়লেও চা রপ্তানি বাড়াতে হবে :বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, এখন চা খাওয়ার অভ্যাসটা গড়ে উঠেছে। তাই সময় যত যাবে চা উত্পাদন বাড়বে, আবার ভোক্তাও বাড়বে। দেশে চায়ের চাহিদা বাড়লেও রপ্তানি বাড়াতে চেষ্টা করতে হবে। কারণ, এখানে শুধু টাকা ফ্যাক্ট না, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চা গেলে আমাদের জন্য বিষয়টি গর্বের হবে। আমরা ৯৬ মিলিয়ন কেজি চা উত্পাদনের রেকর্ড করেছি। হয়তো এ বছর বা আগামী বছর এটা ১০০ মিলিয়ন কেজি ক্রস করবে। বছর বছর হয়তো ৫ বা ৭ শতাংশ উত্পাদন বাড়াতে পারব। এক সময় চাহিদা মিটিয়ে ১১ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি করতে পারব।’ গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রথম জাতীয় চা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, চা শিল্পের প্রসার’ স্লোগান নিয়ে দিবসটির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ চা বোর্ড।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ চা বোর্ডের গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিটিআরআই কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ক্লোন বিটি-২২ ও বিটি-২৩ অবমুক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন বলেন, ‘১৯৭১ সালের তুলনায় চায়ের উত্পাদন বেড়েছে ২১০ ভাগ। আর ২০১৯ সালে দেশে সর্বোচ্চ ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি চা উত্পাদন হয়েছে।’ বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চা বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। চা শিল্পে তার অসামান্য অবদান এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে চা শিল্পের ভূমিকাকে বিবেচনায় নিয়ে ৪ জুনকে জাতীয় চা দিবস ঘোষণা করা হয়েছে।