অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন
ইত্তেফাক রিপোর্ট
প্রস্তাবিত বাজেট সার্বিক দিক বিবেচনায় পুঁজিবাজারবান্ধব বলে মনে করে চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (সিএসই)। তবে পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল এবং বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে আটটি প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিএসইর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে গতিশীল ও উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে নানাবিধ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সার্বিক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে অনেকগুলো বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে এ বাজেটে। সার্বিক দিক বিবেচনায় এবারের প্রস্তাবিত বাজেট পুঁজিবাজারবান্ধব। তবে পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল এবং বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে বাজেটে স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের লেনদেনের ওপর বিদ্যমান উেস কর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনার আবেদন পুনরায় বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য ১০ শতাংশ কর পরিশোধ করে পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সময়সীমা এ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত রয়েছে। ব্যক্তি শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, যার সময়সীমা ঘোষিত বাজেটে বাড়ানো হয়নি। সিএসই বিদ্যমান আইনের এ সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আবেদন জানায়। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর হার আড়াই শতাংশ কমিয়ে ২০ শতাংশে আনা, জনস্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত বিশেষায়িত জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে এক্সচেঞ্জের প্রযোজ্য কর্পোরেট করহার ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন লাভজনক কোম্পানিগুলোর শেয়ার বিক্রির কথা বিভিন্ন সময়ে বলা হলেও ঘোষিত বাজেটে এর কোনো পরিকল্পনা পরিলক্ষিত হয়নি। অর্থায়নের উত্স হিসেবে শেয়ার অব লোড করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়।
আসিফ ইব্রাহিম বলেন, লভ্যাংশ প্রদানের সময় কোম্পানি তার মুনাফার উপর কর প্রদান করে, পুনরায় লভ্যাংশ বিতরণের সময় কর কর্তনের জন্য দ্বৈত করের সৃষ্টি হয়। লভ্যাংশ আয়ের উপর এ দ্বৈত কর নীতি পরিহার করা যেতে পারে। সেই লক্ষ্যে করমুক্ত লভ্যাংশের সীমা ৫০ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।