এশিয়ান কাপের সম্ভাবনা নিয়ে লড়াই করছে বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার

২০১২ সালের ৮ নভেম্বর। ঢাকায় প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিশাল আয়োজন করে বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন তার পুরো কমিটি নিয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলতে চান। এখন যে খেলাটি চলছে বাছাই হলেও কাতার বিশ্বকাপে খেলার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এখন ২০২৩ এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের লড়াই। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং সেরা চার রানার্সআপ দলও সরাসরি এশিয়ান কাপে খেলবে। বাকিদের কোয়ালিফাই করে খেলতে হবে। ই গ্রুপে বাংলাদেশের যে অবস্থান তাতে এখনো সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি।

৪৬টি দেশ রাউন্ড টু পর্বে লড়াই করছে। ৭ খেলায় ১৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে কাতার। ৫ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ওমান। ৬ খেলায় আফগানিস্তানের ৫, সমান খেলায় ৩ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে এবং ৬ খেলায় ৩ পয়েন্ট বাংলাদেশ গ্রুপের পাঁচ দলের মধ্যে পঞ্চম স্থানে। শেষ দুটি ম্যাচে জিতলেও বাংলাদেশ কিংবা ভারতের বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইয়ের পরেব রাউন্ডে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ কাতার ও ওমান অনেক ওপরে চলে গেছে। এখন ২০২৩ এএফসি এশিয়ান কাপে খেলার সুযোগ রয়েছে।

এশিয়ান কাপে যোগ্যতা অর্জনের নিয়ম

১.             কোয়ালিফাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডের ৮টি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি মূল পর্বে খেলবে।

২.             গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থাকা সেরা ৪টি দল সরাসরি মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

৩.             গ্রুপের বাকি চারটি দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দল, ৮টি তৃতীয় স্থানে থাকা দল এবং সেরা চারটি চতুর্থ স্থানে থাকা দল এশিয়ান কাপের কোয়ালিফাইংয়ের রাউন্ড থ্রি পর্বে খেলবে মূল পর্বে উঠার জন্য।

৪.             গ্রুপের শেষ ৪টি চতুর্থ স্থানে থাকা দল এবং ৮টি পঞ্চম স্থানে থাকা কোয়ালিফাইংয়ের তৃতীয় রাউন্ডের প্লে-অফ খেলতে হবে।

বাংলাদেশের সম্ভাবনা

১.             বাংলাদেশের পক্ষে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া বা সেরা চারটি দ্বিতীয় স্থানাধিকারীর মধ্যে থেকে মূল পর্বে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করা সম্ভব নয়।

২.             ভারত এবং ওমানের বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ দুই ম্যাচ জিতলে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থান পাওয়া সম্ভব হবে যদি অন্যান্য দলও তাদের বাকি ম্যাচ হেরে যায়। 

৩.             গ্রুপে চতুর্থ স্থানে খেলা শেষ করলেও সব গ্রুপ মিলিয়ে সেরা চার চতুর্থ স্থানাধিকারীর মধ্যে জায়গা করে নিলে এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ারের তৃতীয় রাউন্ডে খেলতে পারে বাংলাদেশ।

৫.             পঞ্চম স্থানেই থাকলে বাংলাদেশকে কোয়ালিফাইংয়ের তৃতীয় রাউন্ডের প্লে অফ খেলতে হবে।