কার্টুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোরের শরীরে নির্যাতনের কোনো চিহ্ন পায়নি মেডিক্যাল বোর্ড। তিন সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড বলছে, কিশোরের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নাই। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হতে এবং পরবর্তী মূল্যায়নের জন্য আরো তদন্ত প্রয়োজন। এই প্রতিবেদন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সেরেস্তাখানায় জমা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল ইত্তেফাককে বলেন, মেডিক্যাল বোর্ডের রিপোর্ট দাখিল হয়েছে। তবে সেখানে কী আছে আমি বলতে পারব না। যখন রিপোর্ট আদালতে পেশ করা হবে তখন বলা যাবে।
গত ১০ মার্চ নির্যাতনের অভিযোগে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন কার্টুনিস্ট কিশোর। ২০১৩ সালে প্রণীত নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে ঐ মামলা করা হয়। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ কার্টুনিস্টের জবানবন্দি রেকর্ড করে মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের আদেশ দেন। এরপরই গত ১৬ মার্চ কিশোরের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিন সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঐ বোর্ডের সদস্যরা হলেন—নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শেখ নুরুল ফাত্তাহ রুমি (প্রধান), মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক হাফিজ সরদার এবং অর্থোপেডিক ও ট্রমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফখরুল আমিন খান। এই বোর্ডের সদস্যরা কিশোরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। এদিকে মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা হলেও পিবিআইয়ের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি বলে জানা গেছে।