গেমস আয়োজনের যুদ্ধে হারতে নারাজ টোকিও

স্পোর্টস রিপোর্টার

কোনোভাবেই অলিম্পিক গেমস আয়োজনে পিছ পা হবে না জাপান। করোনার কারনে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি নিয়ে এত সমালোচনা হচ্ছে তার পরও টোকিও অলিম্পিক গেমস নিয়ে কোনোভাবেই পিছু হটবে না জাপান। যে কোনো মূল্যে অলিম্পিক আয়োজনের পক্ষে জাপান। আগামী ২৩ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত টোকিও অলিম্পিক গেমস হবে।

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) এই অলিম্পিক আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর। আইওসি প্রধান থমাস বাখ টোকিও অলিম্পিক আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। আইওসির প্রধান টোকিও অলিম্পিক আয়োজনের পক্ষে রয়েছেন। টোকিওর কর্মকর্তারা সাহস পাচ্ছেন এগিয়ে যাওয়ার। এরই মধ্যে একাধিক প্রস্তাবও এসেছে যদি টোকিওতে অলিম্পিকত না হয় তারা আয়োজন করবেন। কিন্তু সেই পথে যেতে রাজি না জাপান সরকার।

২০১৬ সালে রিও হতে অলিম্পিক গেমেসর পতাকা হাতে নিয়েছে। তারও আগ থেকে কোটি কোটি ডলার খরচা করে গেমস আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে জাপান সরকার। করোনায় ২০২০ অলিম্পিক বাধা পড়ে। এক বছর পিছিয়ে এবার সেই গেমস হওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও এখন একের পর এক বাধা আসছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশির ভাগই করোনায় অলিম্পিক না আয়োজনের পক্ষে। বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার ক্রীড়াবিদ, কোচ কর্মকর্তা আসবে। তাতে জাপানের মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকবে। এমন আশঙ্কায় অনেক দিন কিছু ডাক্তার সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন গেমস না করার। সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়ে ছিল। জাপান সরকার সবদিক ভেবেচিন্তে গেমস করার পক্ষেই রয়েছে। এরই মধ্যে অলিম্পিক মশাল র্যালিও করেছে।

যেসব দেশ খেলতে যাবে তাদেরকে প্রস্তুত থাকতেও বলা হয়েছে। অংশগ্রহনকারী দেশগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে। খেলোয়াড়দের প্রস্তুত করছে আইওসির সদস্য দেশগুলো। যারা জাপানে প্রবেশ করবে তাদের জন্য করোনার টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকরা খেলা কাভার করতে যাবেন এমন সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত চলাফেরায় বিধিনিষেধ আরোপ। গেমসে যেতে হলে আয়োজকদের নির্ধারিত হোটেলে বসবাস করতে হবে। ১৪ দিন পর্যন্ত সরকারি যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না। এই সময়টায় আয়োজদের নির্ধারিত হোটেলে অবস্থান করতে হবে। নির্ধারিত যানবাহনের বাইরেও যাওয়া যাবে না। এমন কড়াকড়ির মধ্যেই গেমস আয়োজন করা হবে। তবুও গেমস আয়োজনের যুদ্ধে হারতে রাজি না টোকিও।