বাংলাদেশে স্পোর্টস বাইক সেগমেন্টে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক বিক্রিত মোটরসাইকেল বাজাজ পালসার। ২০১৮ সালে বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ বাংলাদেশে "ফাস্টেস্ট বাংলাদেশি" নামে বাজারজাতকরণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায়, ২০২১ সালে এদেশের স্পোর্টস বাইকপ্রেমীদের জন্য উত্তরা মোটর্স নিয়ে এলো বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশ, "দ্য নিউ লুক অফ পাওয়ার"।
উত্তরা মোটর্সের হাত ধরে ২০০৩ সালে বাংলাদেশের বাজারে বাজাজ পালসার মোটরসাইকেল প্রবেশ করে। বিগত ১৮ বছর ধরে বাজাজ পালসার এদেশের স্পোর্টস বাইক সেগমেন্টে সকলের চাহিদা পূরণ করে চলেছে। বাজাজ পালসার সবার চাহিদা ও বিশ্বস্ততার জায়গা অর্জন করে নিতে পেরেছে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী আপগ্রেডেড বাইক বাজারজাতকরণ ও উন্নতমানের সার্ভিস প্রদানের মাধ্যমে। বাজাজ পালসার এনএস লাইনের সর্বশেষ সংযোজন বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশ, "দ্য নিউ লুক অফ পাওয়ার"।
বাজাজ অটোস সবসময়ই গ্রাহকদের জন্য সেরা ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মোটরসাইকেল নিয়ে আসতে সচেষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায় উবার রেস্পন্সিভ এবিএস প্রযুক্তি থাকছে বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশ, "দ্য নিউ লুক অফ পাওয়ার" এ।
১৩৭২ মিলিমিটার হুইলবেইজ, ১৭৭ মিলিমিটার গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং ২০১৭ মিলিমিটার দৈর্ঘ্য, ১০৬০ মিলিমিটার উচ্চতা, ৮০৩.৫ মিলিমিটার প্রস্থের সাথে আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স এবং কালার স্কিম বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশকে কে নতুন মাত্রা দান করেছে। মাস্কুলার ডিজাইন, এলইডি টেইল ল্যাম্প, আকর্ষণীয় পেরিমিটার ফ্রেম, অ্যালয় হুইল, রাস্তায় সকলের নজর কাড়বে বলে মনে করেন ইত্তরা মটরস কর্তৃপক্ষ।
কার্বুরেটর ইঞ্জিন টেকনোলজির বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশ ১৬০ সিসি ডিটিএস-আই ইঞ্জিন এ চালিত। সাথে ব্রেকিং এ আছে এবিএস, ইসিইউ সেন্সর। উবার রেস্পন্সিভ এবিএস এর সাথে ফ্রন্টে ২৬০ মিমি ডিস্ক ব্রেক এবং রিয়ারে ২৩০ মিমি ডিস্ক ব্রেক থাকছে বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশে।
বার্ন্ট রেড এবং সাটিন ব্লু, এই দুই কালার ভ্যারিয়্যান্টে পাওয়া যাবে বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশ। যার দাম পড়বে ২,১৮,০০০ টাকা। চলমান ঈদ অফারে(১৫ ই জুন পর্যন্ত) ১০ হাজার টাকা ছাড়ে ২,০৮,০০০ টাকায় পাওয়া যাবে বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশ। দুই বছর এর ওয়ারেন্টি, ৪ টি ফ্রি সার্ভিস দিচ্ছে উত্তরা মোটর্স বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ রিফ্রেশ এর সাথে। আর থাকছে সহজ কিস্তি সুবিধা। উত্তরা মোটর্স সারা বাংলাদেশে নিজস্ব ১৫টি শাখা অফিস ও ৪০০টিরও বেশি শোরুম এবং সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবাপ্রদান করে আসছে।