ভুয়া মামলা করে ঝালকাঠির এক ব্যক্তিকে জেল খাটানোর ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে এক মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঐ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে আদালত। এ সংক্রান্ত মামলা বাতিলের আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এই আদেশ দেন। আগামী ৮ আগস্ট এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য রেখেছে আদালত। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
গত ২৯ এপ্রিল দৈনিক ইত্তেফাকে ‘ভুয়া বাদীর মামলায় আসামির এক সপ্তাহ হাজতবাস’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ঝালকাঠির রাজাপুরের রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাকির হোসেন নামক এক ব্যক্তিকে ভুয়া বাদী সাজিয়ে ধানমন্ডির ঠিকানা দিয়ে আদালতে পিটিশন মামলা দায়ের করে। পরে এ মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যান রফিকুল। আট দিন জেল খাটার পর জামিনে বের হয়ে তিনি খোঁজ নিয়ে বাদীর কোনো অস্তিত্ব পান নাই। ব্যাবসায়িক কারণে কয়েক জন লোক ভুয়া বাদী সাজিয়ে এই মামলা করেছেন বলে জানতে পারেন। পরে এই ঘটনার তদন্ত চেয়ে তিনি আদালতে আবেদন করেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুধু বাদীর ঠিকানা যাচাইয়ের আদেশ দেয়। একই সঙ্গে তদন্ত করে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাদীর ঠিকানার অস্তিত্ব নেই।
পরবর্তীকালে জড়িতদের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের কথা না বলায় ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম হাইকোর্টে আবেদন করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রবিবার এ আদেশ দেয়।