হিমুর ‘ক্রিয়েটিভ টেক পার্ক’

>> জাহিদ হাসান

 

এসএসসি পরীক্ষার পর কমিপউটার কেনা থেকে শুরু করে আমার টেকনোলজি জগতে পা দেওয়া। এর ঠিক দুই বছর পর ২০১০ সালে প্রথম ফ্রিল্যান্সিং আর আউটসোর্সিং শুরু করি।  বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি)-এর সদস্যপদ গ্রহণ করি। এর পর এমবিএ শেষ করি, সর্বশেষ ২০১৯ সালে পিজিডি গ্রহণ করি এবং এখন পিএইচডি করার প্রস্তুতি নিচ্ছি— এভাবেই বলছিলেন সাদমান সৌমিক হিমু।

একজন তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে ক্রিয়েটিভ টেক পার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তারা দেশে এবং বিশ্বের প্রায় ১০টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত আইটি সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন। ভিন্ন এই উদ্যোগের কারণ জানতে চাইলে বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং করতাম, সেহেতু আমার অনেক অনেক দেশি-বিদেশি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট ছিল। সেখানে থেকেই ধীরে ধীরে ক্রিয়েটিভ টেক পার্কের সূচনা। ২০১৫ সালে যখন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করি, এর পরপরই আইটি বিজনেস শুরু করি। ব্যবসার শুরুতেই সফলতা আসায় ২০১৬ সালে পুরোদমে ব্যবসায় মনোনিবেশ করি। তবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই ১১ বছর সময়ের যাত্রাটি খুব সহজ ছিল না।’

ক্রিয়েটিভ টেক পার্ক মূলত একটি পূর্ণাঙ্গ সেবাদাতা আইটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে তারা ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ও ওয়েব অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ই-কর্মাস ওয়েব সলিউশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, বিজনেস ইমেইল, ডিজিটাল মার্কেটিং ও অ্যাডভার্টাইজমেন্ট, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, ডোমেইন, হোস্টিংসহ সকল প্রকার অনলাইন সেবা দিয়ে থাকে।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মনের গভীরে উদ্যোক্তা হওয়ার বাসনা অনেকেই লালন করেন। তবে নানা অজুহাত লালিত স্বপ্নকে সব সময় পেছনে ঠেলে দেন।  টাকা নেই, আমার দ্বারা ব্যবসা হবে না—এই ভেবে অনেকেই এক ধাপ এগিয়ে আবার দুই ধাপ পিছিয়ে যান। আমার মতে ব্যবসা করতে টাকা নয়, বরং সময় ও পরিশ্রম প্রয়োজন।’