মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশে

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বিদায়ি মে মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশে। এপ্রিল মাসে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমে আসলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী মে মাসে খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশে যা আগের এপ্রিল মাসে ছিল ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অন্যদিকে মে মাসে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ যা এপ্রিল মাসে ছিল ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। গতকাল মঙ্গলবার আগারগাওয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। মূল্যস্ফীতির প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতির হার পয়েন্ট ৩০ কমেছে। তুলনামূলক খাদ্যে বেশি কমেছে। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে কিছুটা বেড়েছে। দুটি মিলিয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে।

বিবিএসের কর্মকর্তারা জানান, চালের দামের ওপর মূল্যস্ফীতির হার বেশি নির্ভর করে। এক মাসের ব্যবধানে চালের দাম কমে এসেছে। পাশাপাশি বেগুন, পটলসহ সবজির দাম কমেছে। রুই, তেলাপিয়া, পাঙ্গাস মাছের দাম কমেছে। পাশাপাশি আদা-রসুনসহ মসলার দাম কিছুটা কমেছে। এজন্য খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমে এসেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের খরচ বেড়েছে। মূলত পোশাক, যানবাহন খরচ ডিটারজেন্ট পাউডার ইত্যাদির দাম এপ্রিল মাসের তুলনায় মে মাসে বেড়েছে।