ছেলেমেয়েরা এখন আর মাঠে খেলে না, তারা দিনের বেশিরভাগ সময়ই অনলাইন গেমসগুলো খেলে। যার ফলে ফোনের রেজুলেশন পাওয়ারের মাধ্যমে তাদের চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গবেষকরা জানান, মুঠোফোন থেকে হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়। এই ক্ষতিকর তরঙ্গের সঙ্গে মস্তিষ্কে ক্যানসারের যোগসূত্র থাকতে পারে। এছাড়া শরীরের অন্য কোষকলা এই ক্ষতিকর তরঙ্গের প্রভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। অনেকেই আবার রাত জেগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গভীর রাত পর্যন্ত থাকেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে ব্যক্তি প্রায়শই রাতের বেশিরভাগ সময় জেগে থাকেন, তাঁর আয়ুষ্কাল স্বাভাবিক মানুষের থেকে কমপক্ষে পাঁচ বছর কম হয়ে থাকে। প্রায় দশ হাজার ব্রিটিশ ছাত্রের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা পাঁচ ঘণ্টা বা তার কম সময় ঘুমায়, তাদের হঠাত্ করে মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। ঘুমের সঙ্গে হার্ট এবং ব্রেনের স্বাস্থ্যের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই ঘুম ঠিকমতো না হলে শরীরের সব থেকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ দুর্বল হয়ে যেতে শুরু করে। তাই মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে সচেতন হোন।
মুহম্মদ ফেরদৌস ওয়াহিদ
কেরাণীরহাট, রংপুর