মিঠাপুকুরে ‘গ্লোবাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ সিলগালা

সরকারি নির্দেশ অমান্য করে মিঠাপুকুরে কোচিং সেন্টার পরিচালনার দায়ে অভিযান চালিয়ে ‘গ্লোবাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন অর রশীদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান পরিচালনা করেন।​

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালে কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ঘোষণা দেয় সরকার। কিন্তু এই নির্দেশ অমান্য করে মিঠাপুকুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কামরুল ইসলাম সাজু পরিচালিত রাফি কোচিং সেন্টার চালু রাখে। শনিবার পরীক্ষার প্রথম দিনেও আদর্শপাড়া এলাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্লোবান রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে ওই কোচিং সেন্টারটিতে পাঠদান চলছিলো। সকালে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন অর রশীদ সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় কোচিং পরিচালনার বিষয়টি হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গ্লোবাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ফটক বন্ধ করে সিলাগালা করে দেন। এ সময় রাফি কোচিং সেন্টারের পরিচালক ও গ্লোবাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাউকে পাওয়া যায়নি।

আরো পড়ুন: পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে ‘আইজিপি’স কমপ্লেইন সেল’

মিঠাপুকুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রাফি কোচিং সেন্টারের পরিচালক কামরুল ইসলাম সাজু বলেন, ‘এক মাস কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশে আমরা গ্লোবাল বিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে চাচ্ছিলাম। সকালে এসে ইউএনও স্যার সিলগালা করে দিয়েছেন।’

গ্লোবাল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক মুরাদুজ্জামান সরকার মুরাদ বলেন, ‘আমাদের না জানিয়ে রাফি কোচিং সেন্টারের পরিচালক গোপনে ক্লাস নিচ্ছিলেন। পরে ইউএনও এসে সিলগালা করে দেন।’

মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন-অর রশীদ বলেন, ‘সরকারের বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে তারা গোপনে কোচিং সেন্টার পরিচালনা করছিল। সেখানে গিয়ে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। মিঠাপুকুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রাফি কোচিং সেন্টারের পরিচালক কামরুল ইসলাম সাজু বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রনালয়ে অনুরোধ করা হবে।’

ইত্তেফাক/বিএএফ