চৌমুহনীতে ডাক বিভাগ ভবন নির্মান করতে পারছে না। ফলে কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে। জনগণ ই-সেন্টারের সুফল পাচ্ছে না। কারণ, চৌমুহনী নৈশ ডাকঘর ই-সেন্টারের ভূমি অবৈধ দখলে রয়েছে।
জনগণ সরাসরি ডিজিটাল সুবিধা ভোগ করবে এজন্য ডিজিটাল ই-সেন্টার স্থাপন করছে সরকার। কিন্তু চৌমুহনী নৈশ ডাকঘর ই-সেন্টার ও প্রশিক্ষণ সেন্টারের নির্দিষ্ট স্থানে অবৈধ দখলদাররা দোকান নির্মান করে ব্যবসা করছে।
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের নোয়াখালী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চৌমুহনী শহরের রেল স্টেশনের পশ্চিমে উপ-ডাকঘর (এলএসজি) ছাড়াও শহরের করিমপুর রোডের পাশে নৈশ ডাকঘর অবস্থিত। এ ডাকঘর সংলগ্ন যে জায়গা খালি রয়েছে, উক্ত স্থানে ই-সেন্টার ও ট্রেনিং সেন্টার চালু করার জন্য স্থাপনা নির্মান করার কথা। এক বছর পূর্বে নৈশ ডাকঘর ই-সেন্টার করা হলেও নিয়োজিত লোকজন কাজ করতে পারছে না। কারণ, নৈশ ডাকঘর খোলা হয় বেলা দুইটার পর। ফলে সকাল থেকে জনগণকে সেবা দিতে না পারায় ই-সেন্টারের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
এ দিকে নৈশ ডাকঘর সংলগ্ন যে স্থানে ই-সেন্টার ও ট্রেনিং সেন্টার ভবন নির্মান করার কথা, উক্ত স্থানে কতিপয় ব্যক্তি জবরদখল করে ঘর উঠিয়ে দোকানপাট করছে। ডাকবিভাগ অবৈধ দখলদারদেরকে উচ্ছেদ করে ই-সেন্টার ও ট্রেনিং সেন্টারের জন্য স্থাপনা নির্মান করার কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না।
এ সংক্রান্ত নোয়াখালী ডাক বিভাগের ডেপুটি পোস্টমাষ্টার জেনারেল ২৮-০৫-২০১৭ তারিখে ১৩ নং স্মারকে পূর্বাঞ্চলীয় পোস্ট মাষ্টার জেনারেলকে অবগত করালেও এ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা হয়নি।
আরও পড়ুনঃ মানবসম্পদ কাজে লাগাতে না পারলে অভিশাপে পরিণত হয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রী
এ ব্যাপারে নোয়াখালী ডাকবিভাগের উত্তর উপ-বিভাগের পরিদর্শক আবদুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ছাড়া আমরা কি করতে পারি? ভবন নির্মান করতে না পারায় জনগনকে প্রয়োজনীয় সেবা দিতে পারছি না।’
ইত্তেফাক/নূহু