শেরপুরের নকলা উপজেলার হাতিমারা গ্রামের লোকজন কৃষিপণ্য মাথায় করে নদী পারাপার হয়। শুধু সেতুর অভাবে যথাসময়ে হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়া খুব কঠিন। বলছি শেরপুর জেলার নকলা ও জামালপুর সদর উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্রের ওপারের মানুষের কথা। নকলা উপজেলার হাতিমারা এবং জামালপুর সদরের হনুমানেরচর, কাজিয়ারচর ও ডিগ্রিরচর গ্রামে পাঁচ সহস্রাধিক মানুষের বসবাস। গ্রাম তিনটি জামালপুর সদর থেকে দূরে হওয়ায় ব্যবসায়িক যোগাযোগ, কৃষিপণ্য বাজারে নিয়ে যাওয়া ও ছাত্রছাত্রীদের শেরপুরের চন্দ্রকোনা অথবা নকলা শহরে যাতায়াতে ব্রহ্মপুত্রের শাখা দশআনি নদীর ওপর নির্মিত কাঠের সাঁকো ও হাতিমারা গ্রামবাসীর জন্য একমাত্র বাঁশের সাঁকোই ছিল ভরসা। কিন্তু কাঠ বা বাঁশের সাঁকো কি আর থাকে! যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে একটি সেতু দ্রুত নির্মাণের আবেদন জানাচ্ছি।
মো. সুখন, নকলা, শেরপুর