দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে চায় ইসরাইল

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরাইল। সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত গতকাল বৃহস্পতিবার এই দাবি করেছেন। যদিও এসব দেশ গত মাসে গাজায় ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছিল। খবর রয়টার্সের

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত দেশ ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেই গাজায় ইসরাইলি হামলার কড়া নিন্দা জানিয়েছিল। ১১ দিনের হামলায় আড়াইশর বেশি ফিলিস্তিনির প্রাণ যায়। আর হামাসের রকেট হামলায় ইসরাইলের ১৩ জন মারা যান। তিনটি দেশ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অত্যাচার বন্ধে জাতিসংঘকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। তিনটি দেশের কারো সঙ্গেই ইসরাইলের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই এবং তারা ১৯৬৭ সালের আগের সীমান্ত অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবি করেছেন। রাষ্ট্রদূত সাগি কারনি বলছেন, ঐ তিন দেশের সমালোচনায় সত্যতা ছিল না এবং সংঘাতের প্রকৃত সত্যকে অস্বীকার করা হয়েছে। তার দাবি, ইসরাইলের লড়াই ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে নয়, হামাসের সঙ্গে। তিনি রয়টার্সকে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাত্কারে বলেন, আমি জানি না যে যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় এসব নিয়ে আলোচনা করেন তারা হামাসের মৌলবাদী এবং ফ্যাসিস্ট চরিত্র সম্পর্কে জানেন বা বোঝেন। তিনি হামাসকে ইহুদিবিরোধী বলে আখ্যা দেন। যদিও হামাস এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। কারনি বলেন, ইসরাইল স্বীকার করছে যে ১১ দিনের লড়াইয়ে অনেক বেসামরিক ফিলিস্তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তার দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটছে তার ওপর প্রভাব রাখতে হলে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেই রাখতে হবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা আলোচনা করতে এবং সাক্ষাত্ করতে প্রস্তুত। সবার জন্য দরজা খোলা। আমি মনে করি না যে, সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন এবং মায়ানমারে ইসরাইলের দূতাবাস আছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কো গত বছর ইসরাইলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।