প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ, প্রতিবেদকের বক্তব্য

গত ১৩ জুন ২০২১ দৈনিক ইত্তেফাকের শেষ পৃষ্ঠায় ‘কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগ:বিএনপি-জামায়াতের লোকদের অনুপ্রবেশ করানোর অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানা শাখা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম এবং দুই যুগ্ম-আহ্বায়ক হাজি শফিউল আজম খান বারকু ও হাজি আলতাফ হোসেন বিপ্লব। প্রতিবাদপত্রে তারা দাবি করেছেন, প্রতিবেদনটি মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। করোনাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক সকল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। তাই কমিটির পদ-পদবিতে বিএনপি, জামায়াত-শিবিরের লোকজনের অংশগ্রহণের প্রশ্নই ওঠে না। প্রতিবাদপত্রে আরো বলা হয়, ‘কেরানীগঞ্জ মডেল থানা শাখা আওয়ামী লীগের অফিসের জায়গাটির মালিক আনোয়ার হোসেন। জায়গার পরিমাণ ১০২ শতাংশ। সেখান থেকে ৫ কাঠা দলীয় অফিস করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। আমরা কোনো জমি দখল করিনি। বালু ভরাট, হাউজিং প্রকল্পের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার কাজেও আমরা জড়িত নই’।

প্রতিবেদকের বক্তব্য

সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি অভিযোগ সম্পর্কে প্রতিবেদনে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা শাখা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম ও যুগ্ম-আহ্বায়ক হাজি শফিউল আজম খান বারকুর বক্তব্য হুবহু ছাপা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের লোকজনের অনুপ্রবেশের বিষয়টি অস্বীকার করেননি আহ্বায়ক। মধুসিটি হাউজিং থেকে ২০/২২ লাখ পাওয়ার তথ্যটি হাজি শফিউল আজম খান বারকু নিজেই দিয়েছেন, যা তাকে উদ্ধৃত করেই ছাপা হয়েছে। এছাড়া বালু ভরাট থেকে চাঁদা বা কমিশন নেওয়ার অভিযোগও পুরোপুরি অস্বীকার করেননি ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম ও হাজি শফিউল আজম খান বারকু।