চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে বিনিয়োগের অধিকাংশই দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে যেতে হবে। কারণ, তাদের কাছে অর্থনৈতিক উন্নয়নের হুমকির জন্য পরিবেশগত সমস্যাগুলো কম রয়েছে। সম্প্রতি দেশটিতে এক নতুন গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর প্রকাশ করেছে দ্য স্টার।
গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া বেইজিংয়ের চাইনিজ একাডেমি অফ সায়েন্সেস ’ইনস্টিটিউট অফ জিওগ্রাফিক সায়েন্সেস এবং প্রাকৃতিক সম্পদ গবেষণা নিয়ে চীনা সরকারের সিনিয়র উপদেষ্টা অধ্যাপক ফ্যাং চুয়াংলিন যুক্তি দিয়েছেন যে, ইরান ও আফগানিস্তানসহ স্থলভিত্তিক ইউরেশিয়া অঞ্চলের কিছু দেশ দরিদ্র ছিল এবং তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন খুবই প্রয়োজন। কিন্তু তাদের ভঙ্গুর পরিবেশ দ্রুত বৃদ্ধিতে ধ্বংস হতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, দক্ষিণ চীন সাগর এবং ভারত মহাসাগর দিয়ে সমুদ্রপথে অনেক অনুন্নত দেশও রয়েছে। তবে তাদের পরিবেশগত পদচিহ্নগুলো আরও ছোট হওয়ায় ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্য আরও বৃহৎ স্থান সরবরাহ করা দরকার।
চলতি মাসে জার্নাল সায়েন্স বুলেটিনে প্রকাশিত গবেষণায় ফ্যাং চুয়াংলিন ও তার সহকর্মীরা বলেন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও শ্রীলঙ্কাসহ মোট ১৮টি দেশকে মূল উন্নয়নমূলক অঞ্চল হিসেবে হাইলাইটস করা হয়েছিল। তাদের অর্থনৈতিক সমাগমের গতি ত্বরান্বিত করা উচিত।
যে অঞ্চলগুলোতে পরিবেশ একটি উচ্ছ্বসিত অর্থনীতি সমর্থন করতে পারে না, সেখানে উন্নত দেশগুলোর আরও বেশি দায়িত্ব গ্রহণ করা উচিত। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।
বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প চীন সরকারের একটি মার্শাল পরিকল্পনা। যা ২০১৩ সালে প্রস্তাব করা হয়। এটির মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্য হ্রাস এবং বাণিজ্য বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে তারা। কিন্তু সদস্যভুক্ত অধিকাংশ দেশ দরিদ্র হওয়ায় শুরুর দিকে প্রকল্পটিকে এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
ইত্তেফাক/টিএ