প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ নবগঠিত জাজিরা সেনানিবাসে ২০টি স্থাপনাসহ ঢাকা, বগুড়া, যশোর ও রংপুর সেনানিবাসে অন্যান্য পদবীর সৈনিক এবং ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য চারটি বহুতল আবাসিক কোয়ার্টারের (সেনা নীড়) উদ্বোধন করেছেন। গতকাল রবিবার দুপুরে সাভার সেনানিবাস থেকে ভিডিও টেলি-কনফারেন্সের মাধ্যমে আজিজ আহমেদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। এই স্থাপনাসমূহ উদ্বোধনের ফলে জাজিরা সেনানিবাসে সাতটি ইউনিটের অফিস ভবন, সৈনিক ব্যারাক এবং ভারী সমরাস্ত্রের গ্যারাজসহ অফিসার ও জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারদের আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলো।

এছাড়া ঢাকা, বগুড়া, যশোর ও রংপুর সেনানিবাসে অন্যান্য পদবির সৈনিক এবং ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আবাসিক কোয়ার্টার-সংক্রান্ত সমস্যা বহুলাংশে নিরসন হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সেনাবাহিনীর সব পদবির সদস্যদের জন্য গৃহীত বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি কৃতজ্ঞ তার সঙ্গে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশের সার্বিক অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হচ্ছে, যে কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি পেশাদার বাহিনী হিসেবে দেশের মানুষের আস্থা অর্জনসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছেছে। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাসহ সব পদবির সামরিক ও অসামরিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে

সেনাবাহিনী প্রধানের বিদায়ি সাক্ষাত্

বিদায়ি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ গতকাল রবিবার নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নানের সঙ্গে স্ব স্ব সদর দপ্তরে বিদায়ি সাক্ষাত্ করেন। সেনাবাহিনী প্রধান নৌ ও বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে পৌঁছালে বাহিনী প্রধানগণ তাকে স্বাগত জানান। নৌ ও বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে বিদায়ি সেনাবাহিনী প্রধানকে স্ব স্ব সদর দপ্তরে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। সাক্ষাত্কালে বাহিনী প্রধানগণ বিদায়ি সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন এবং কিছু সময় অতিবাহিত করেন।—আইএসপিআর