টেকনাফ সড়কে দুই জনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা!

কক্সবাজারের টেকনাফে রাতে প্রধান সড়কে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা দুজনকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। হামলার উদ্দেশ্য কী তা স্পষ্ট নয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আহতদের মধ্যে মো. নুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে হ্নীলা নাফ ফিলিং স্টেশন থেকে দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী রাশেদ মাহমুদ আলীর বন্ধু, টেকনাফ উপজেলা মানবিক সোসাইটির সভাপতি এবং হ্নীলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপপ্রচার সম্পাদক ইমরান খানকে জাদিমোরা নয়াপাড়াস্থ বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ফিরে আসার পথে হ্নীলা অ্যাকোয়া কালচার-সংলগ্ন প্রধান সড়কের ব্রিজে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা গাড়ির গতিরোধ করে রোহিঙ্গা নারীর স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিচ্ছিল। মো. নুরেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সড়ক ডাকাতদের গালিগালাজ করে এসব করতে নিষেধ করে। এতে সড়ক ডাকাত দল ক্ষুব্ধ হয়ে ‘তোকেই এতদিন খুঁজছি’ বলেই মুঠোফোন কেড়ে নেয় এবং দা-কিরিচ দিয়ে কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে উপর্যুপরি গুলিবর্ষণ করলে মোটরসাইকেলে থাকা চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলীর ফুফাতো ভাই হ্নীলা উলুচামরীর মো. সওয়ার এবং নির্বাচন কর্মী ও বন্ধু উলুচামরী লামারপাড়ার মো. নুরকে হাতে এবং পায়ে গুলি করে। দুর্বৃত্তরা যাওয়ার সময় মো. নুরকে মারলে ৫ লাখ পাবে বলে চিত্কার দেয়। পরে লোকজন গুলিবিদ্ধদের দ্রুত উদ্ধার করে লেদা আইএমও হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এদিকে ভিকটিমদের একজন গুলিবর্ষণকারীদের মধ্যে কয়েক জনকে শনাক্ত করতে পেরেছে বলে দাবি করেন। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে উন্নত চিকিত্সার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

স্থানীয়রা আরো জানান, এই সড়কে ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।