তিনটি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের করোনার টিকা তৈরির সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। এগুলো হলো- ইনসেপ্টা লিমিটেড, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস ও হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।
এর মধ্যে ইনসেপ্টার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন রেডি টু ফিল ও মাস্টার সিড উভয় প্রক্রিয়ার সক্ষমতা রয়েছে। পপুলারের মাস্টার সিড হতে উৎপাদনের সক্ষমতা নেই। আর হেলথ কেয়ার এখনো কোনো টিকা উৎপাদনে যায়নি। রবিবার (২০ জুন) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বৈঠক সম্পর্কিত সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবারের বৈঠকে দেশের সব জনগণকে টিকার আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে টিকা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। কমিটি আগের বৈঠকে করোনা ভাইরাসের টিকা তৈরির জন্য দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে উত্সাহ দেওয়ার সুপারিশ করে। ঐ সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতেই মন্ত্রণালয় রবিবার কমিটিকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা যাচাইয়ের বিষয়ে অবহিত করে।
বৈঠকে করোনা ভাইরাস মহামারিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকাসহ নানা কেনাকাটা নিয়ে আলোচনা হয়। করোনা মহামারি শুরুর পর এ পর্যন্ত কত টাকার মাস্ক ও কিট কেনা হয়েছে, টিকা সংকট মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, টিকা কোন প্রক্রিয়ায় কেনা হচ্ছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আইসিইউ ও অক্সিজেনের বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাব্য সংকট থেকে উত্তরণের বিষয়ে জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা এখনো না পৌঁছানোয় অসন্তোষ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্যরা।
এছাড়া রবিবারের বৈঠকে তথ্য বিভ্রান্তি এড়াতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য প্রদান ও পর্যালোচনা শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেওয়ার লক্ষ্যে অন্যান্য মন্ত্রণালয়কে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসজেড