শেষ ওভারে জিতল আবাহনী

স্পোর্টস রিপোর্টার

নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও ম্যাচটা আবাহনীর নাগালের বাইরে চলে যায়নি কখনোই। মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর ১৯তম ওভারের পঞ্চম বলে নাজমুল হোসেন শান্ত বোল্ড হলে চাপ বেড়েছিল আবাহনীর ওপর। সেট ব্যাটসম্যান ও হাফ সেঞ্চুরি করা শান্তকে ফিরিয়ে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স শিবিরেও স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু ওভারের শেষ বলে দৃষ্টিকটু মিস ফিল্ডিংয়ে ৪ দেন মেহেদী হাসান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য আবাহনীর দরকার ছিল ৯ রান।

নাসুম আহমেদের প্রথম বলে সিঙ্গেল, দ্বিতীয় বলে ৪ মেরে সমীকরণটা সহজ করে দেন মেহেদী হাসান রানা। পরের বলে ২ রান নিতে গিয়ে রানআউট হন তিনি। তবে তার ৩ বলে ৯ রানের ইনিংসটা বিফলে যায়নি। ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে ৩ রান তুলে আবাহনীকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন আরাফাত সানি ও তানজিম হাসান সাকিব।

মিরপুর স্টেডিয়ামে গতকাল লো স্কোরিং ম্যাচে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিরুদ্ধে ১ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আবাহনী। ১৩ ম্যাচে আবাহনীর সংগ্রহ ২০ পয়েন্ট।  সকালে সুপার লিগের আরেক ম্যাচে প্রাইম দোলেশ্বর ৬ উইকেটে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে।

টসে হেরে ব্যাট করা গাজী ১৯.১ ওভারে ১৩০ রানে অলআউট হয়েছিল। সৌম্য সরকার ৩০, জাকির হাসান ২৭, মুমিনুল হক ২৫, মাহমুদউল্লাহ ১৬ রান করেন। আবাহনীর পক্ষে সাইফউদ্দিন ১৮ রানে ৪টি, মেহেদী হাসান রানা ৩টি, তানজিম হাসান সাকিব ২টি, মোসাদ্দেক ১টি উইকেট পান। জবাবে শান্তর হাফ সেঞ্চুরিতে ১৯.৫ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩১ রান তুলে জয় পায় আবাহনী। শান্ত ৫৮, লিটন দাস ২২, আফিফ ১৪, মুশফিক ১২ রান করেন। গাজীর মুকিদুল ৩টি, মাহমুদউল্লাহ-মেহেদী হাসান ২টি করে উইকেট নেন।  শান্ত ম্যাচ-সেরা হন।

এর আগে সকালে টসে হেরে শেখ জামাল ৯ উইকেটে ১২৩ রান করেছিল। অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ৪২, ইমরুল ২৭ রান করেন। পরে সাইফ হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৭.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১২৬ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে প্রাইম দোলেশ্বর। সাইফ হাসান ৬০, ইমরানুজ্জামান ২০, ফজলে রাব্বি ২১ রান করেন। সাইফ হাসান ম্যাচ-সেরা হন।