নৌ অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএর কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি পাঁচ সংগঠনের

নদী রক্ষা ও নৌ খাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের কথা বিবেচনা করে নৌ পরিবহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কাজে স্বচ্ছ, জবাবদিহি ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে পাঁচটি সংগঠন। গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে পরিবেশ ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণবিষয়ক এসব সামাজিক সংগঠনের নেতারা এই দাবি জানান।

বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে দেশের সব নদী দখলমুক্ত করতে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও নদীতীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণে বিআইডব্লিউটিএর বিরুদ্ধে নানা অসংগতির অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় নদী খনন, ড্রেজার পরিচালনা ও সংরক্ষণ এবং নৌযানের সময়সূচি ও রুট পারমিট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। ড্রেজারের জ্বালানি সরবরাহ ও মেরামত খরচের নামে ব্যাপক অর্থ লোপাটের অভিযোগও উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে।

সামাজিক সংগঠনগুলোর নেতারা বলেন, নদনদী রক্ষাসহ নৌ পরিবহনব্যবস্থার            সোনালি অতীত ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য নৌ অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএর সব কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। তা না হলে সরকারের সব পরিকল্পনা, উদ্যোগ ও বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়—সবই বিফলে যাবে।

বিবৃতিদাতারা হলেন—নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহীদ মিয়া, গ্রিন ক্লাব অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টের সদস্যসচিব আমিনুর রসুল বাবুল, সিটিজেনস রাইটস মুভমেন্টের মহাসচিব তুসার রেহমান এবং পোভার্টি ইলুমিনেশন অ্যাসিস্ট্যান্স সেন্টার ফর এভরিহোয়্যারের মহাসচিব ইফমা হুসেইন।