২০২০ সালে বাংলাদেশের কোম্পানিজ আইন ১৯৯৪-এ সংশোধনী আনা হয়েছিল। এর পরেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আরো কিছু সংশোধনীর সুপারিশ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) কোম্পানিজ অ্যাক্টের পরিপ্রেক্ষিতে ইজ অব ডুয়িং বিজনেস শীর্ষক ওয়েবিনারের আয়োজন করে। এতে এই সুপারিশ করা হয়। বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এতে প্রধান অতিথি হিসাবে যোগ দেন। এতে বক্তব্য দেন যৌথ স্টক কোম্পানি ও ফার্মস (আরজেএসসি) এর ভারপ্রাপ্ত নিবন্ধক এএইচএম আহসান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিআইডিএ) পরিচালক জীবন কৃষ্ণ সাহা রায়, এমসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার নীহাদ কবির, বাংলাদেশের পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। আইসিএবির সাবেক সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির এফসিএ অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন। স্বাগত বক্তব্যে আইসিএবির সভাপতি মাহমুদুল হাসান খসরু এফসিএ বলেন, আইসিএবি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে করপোরেট আইনগুলোর সরলীকরণ ও আধুনিকীকরণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে। ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নয়নের পথে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা উচিত এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশে আরো বিনিয়োগের জন্য উত্সাহ প্রদান করা উচিত।
ভারত ও যুক্তরাজ্যে গৃহীত অনুশীলনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংস্থাগুলোর একত্রীকরণ (মার্জার) এবং অধিগ্রহণ দুটি উপায়ে করা উচিত। কিন্তু আমাদের কোম্পানিজ আইন ১৯৯৪-এ কোনো বিধানে এ জাতীয় মার্জারের অনুমোদন দেয়নি। বক্তারা শিগিগরই এটির সমাধান চান। বক্তারা বলেন, ১০০ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার সম্পন্ন বেসরকারি লিমিটেড সংস্থাকে পরিচালকদের দ্বারা একটি প্রতিবেদন জারি করা দরকার এবং এটি আইএসএর অধীনে নিরীক্ষক দ্বারা নিরীক্ষা করা দরকার। এই প্রতিবেদনটি অবশ্যই আরজেএসসিতে জমা দিতে হবে যাতে কোম্পানি সম্পর্কে আরো তথ্য আরজেএসসির কাছে রাখা যায় এবং এটি দেশের করপোরেট সুশাসন উন্নয়নে সাহায্য করবে।