এলডিসি থেকে টেকসই উত্তরণে নতুন প্ল্যাটফরম গঠিত হচ্ছে

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। সেই লক্ষ্যে চলমান প্রক্রিয়াকে আরো বেগবান ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে অলোচনা করে একটি ‘কার্যকর প্ল্যাটফরম’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুধবার ‘এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ এবং মসৃণ উন্নয়নের পথে টেকসই রূপান্তর’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস এতে সভাপতিত্ব করেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউএনও এইচআরএলএলএস এবং জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) যৌথভাবে এ আলোচনাসভার আয়োজন করে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং একটি মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে যে ধরনের সহায়তার প্রয়োজন হবে তা চিহ্নিত করতে সভাটির আয়োজন করা হয়।

এ সভায় সিডিপি উত্তরণরত দেশগুলোকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ডে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়। উল্লেখ্য, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে ?উত্তরণ ঘটে উন্নয়নশীল দেশের কাতারভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের সিডিপির ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় মূল্যায়ন শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তর হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে তা দুই বছর পিছিয়ে গেছে। ফলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের পুরো মর্যাদা পাবে।

প্রস্তুতিকালীন এই সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক অংশীদারদের সহযোগিতায় এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা যেমন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণসংক্রান্ত ইন্টার এজেন্সি টাস্কফোর্স (আইএটিএফ)-এর সদস্যদের কারিগরি সহায়তায় একটি মসৃণ রূপান্তর কৌশল প্রস্তুত করবে।