হারতে হারতে বেঁচে গিয়েছে ব্রাজিল। ঘরের মাঠে কোপা আমেরিকায় গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে ব্রাজিল হ্যাটট্রিক জয় তুলে নিয়েছে। গোল হজম করে পিছিয়ে থাকা ব্রাজিল ২-১ গোলে কলম্বিয়াকে হারিয়েছে। ব্রাজিলের ঘরের মাঠে কলম্বিয়াকে হারাতে নেইমারদের সবপরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছিল। বিতর্কিত গোলে জিতেছে ব্রাজিল। ১-১ গোলে খেলা শেষের পথে। ৯০ মিনিট শেষ হয়ে বাঁশি বাজার অপেক্ষায়। ইনজুরি টাইম কোচ তিতে কতভাবে দলটাকে গুছিয়ে গোল করানোর চেষ্টা করছিলেন কিন্তু কোনোভাবেই কাজ হচ্ছিল না। সব পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যায়, উলটো গোল হজম করে। ম্যাচের ১১ মিনিটে কলম্বিয়া গোল করে। কদ্রাদো ক্রস করেন। বলটা ব্রাজিলের গোলমুখে কাউকে স্পর্শ করতে পারেনি। যেন নিখুঁত বল। বাতাসে ভেসে আসা বলে দিয়াজ নিজেকে ভাসিয়ে দিয়ে অসাধারণ ভঙ্গিতে শট করে ব্রাজিলের জালে গোল করেন ১-০। ৭৮ মিনিটে এই গোল শোধ করেন ব্রাজিলের ফিরমিনো। নেইমারের গোলমুখের শট ফিরে আসলে আর্জেন্টাইন রেফারি পিতানার পায়ে লেগে বল থেমে যায়। দাঁড়িয়ে গিয়েছিল কলম্বিয়ান ফুটবলাররা। গোলের জন্য মরিয়া ব্রাজিলের ফুটবলাররা মুহূর্তে বলটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোল করেন ব্রাজিল। এই নিয়ে কলম্বিয়ান গোলকিপার ওস্পিনা রেফারির সঙ্গে কথা বললেও কোনো কাজ হয়নি। বুঝাতে গিয়ে উলটো হলুদ কার্ড দেখেন গোলকিপার ওস্পিনা। ৫ মিনিট কেটে গেছে গোলতর্ক আর ভার পরীক্ষায়। ব্রাজিল নিজেদের মাঠে পেরুর কাছে হেরেছিল ১৯৭৫ সালে। এরপর আর ঘরের মাঠে ব্রাজিল হারেনি। কালকের ম্যাচে হারের উপক্রমই হয়েছিল। রেফারি অতিরিক্ত ১০ মিনিট দিলেও এই সময় গোল হয়নি। খেলা চলছিল। ১১ মিনিটে নেইমারের কর্নার হতে ফাঁকায় দাঁড়ানো ক্যাসিমিরো পাওয়ারফুল হেডে গোল করেন ২-১। কলম্বিয়ান ফুটবলাররা চিত্কার করেছেন রেফারির দিকে, সময় শেষ সময় শেষ বলে আওয়াজ তুলেছিলেন। কিন্তু তাতে কান দেননি রাশিয়া বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারি নেসর পিতানা। করোনার কারণে কোপা আমেরিকায় স্টেডিয়ামে দর্শক ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ব্রাজিল গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে রবিবার।