বগুড়ার শেরপুরে ঘরে স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ রেখে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছেন। নিহত ওই গৃহবধূর নাম মোছা. আদুরী খাতুন (৩০)। খবর পেয়ে শুক্রবার (২৫জুন) বেলা বারোটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আটাইল গ্রামের আবু হানিফের সঙ্গে একই গ্রামের আবু তাহেরের মেয়ে আদুরী খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনাত হচ্ছিল না। তাই ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। এমনকি পারিবারিক কলহের জের ধরে মাঝে মধ্যেই তাকে শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন চালাতেন স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সন্ধ্যার দিকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে মারধরও করা হয় তাকে। আর এসব নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে একইদিন রাত অনুমান আটটার দিকে বসতবাড়ির নিজ শয়নকক্ষের তীরের সঙ্গে গলায় রশি লাগিয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। পরবর্তীতে মধ্যরাতে আদুরী খাতুনের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।
ইত্তেফাক/এসজেড