ঢাকা-১৪ ও কুমিল্লা-৫ আসন ভোট ছাড়াই নৌকার দুই প্রার্থী নির্বাচিত

ঢাকা-১৪, কুমিল্লা-৫ ও সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনের দুটিতেই ভোট করা লাগবে না নির্বাচন কমিশনের (ইসি)।  ২৮ জুলাই ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়ের আগেই তারা এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে নৌকার প্রার্থী ছাড়া কোনো প্রার্থী না থাকায় ঢাকা-১৪ ও কুমিল্লা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন প্রতিদ্বন্দ্বীরা নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় কেবল আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই রয়ে গেছেন। তাই রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছেন। তিনটি আসনের উপনির্বাচনে ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এদের মধ্যে চার জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

ঢাকা-১৪

এ আসনে বাছাইয়ের পর বৈধতা পান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আগা খান মিন্টু, জাতীয় পার্টি-জাপার মোস্তাকুর রহমান, জাসদের মো. আবু হানিফ, বিএনএফের এ ওয়াই এম কামরুল ইসলাম। মনোনয়নপত্র বাতিল হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান ও এম রুহুল আমীন সরকারের। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে করোনা পরিস্থিতি অবনতির কারণ দেখিয়ে বৈধ তিন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আগা খান মিন্টু।

কুমিল্লা-৫

এই আসনে দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ হয়। তারা হলেন—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হাসেম খান ও জাতীয় পার্টির মো. জসিম উদ্দিন। তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন জসিম উদ্দিন। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আবুল হাসেম খান।

সিলেট-৩

এ আসনে ছয় জন মনোনয়নপত্র দাখিল করলে বাতিল হয় দুজনের। চার জন বৈধতা পান। বৈধ প্রার্থীরা হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়, তারা হলেন—স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাহমিদা হোসেন ও সেখ জাহিদুর রহমান মাসুম।

কোনো আইনি জটিলতা সৃষ্টি না হলে আগামী ২৮ জুলাই এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।