সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে ধীরগতি

শুরুতে তোড়জোড় দেখা গেলেও সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি এখন থমকে গেছে। দেখা দিয়েছে ধীরগতি। এদিকে এ সংক্রান্ত বিল জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ইচ্ছার এত বড় একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি থমকে দাঁড়ানোয় মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সুনামগঞ্জে রেললাইন স্থাপন নিয়ে যখন তর্ক-বিতর্ক তুঙ্গে তখন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও হাওরের ওপর দিয়ে ৯ কি.মি. ফ্লাইওভার নির্মাণসহ বেশকিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, শুরুতে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কিছু ভুল বুঝাবুঝি হলেও প্রধানমন্ত্রী এখন এর দায়িত্ব নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্দেশ দেবেন—সে অনুযায়ীই সবকিছু করা হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা হাওরবাসীর উন্নয়নে বিশ্বাসী। তাই হাওরবাসীর ভাগ্যোন্নয়নে অনেক প্রকল্পই বাস্তবায়িত হবে। সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি প্রবীণ আইনজীবী আবুআলী সাজ্জাদ হোসাইনসহ বিশিষ্টজনেরা বলেছেন, উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ঠেলাঠেলির কারণে যেন সুনামগঞ্জের উন্নয়ন বন্ধ না হয়।

প্রসঙ্গত গত বছরের ১৮ নভেম্বর জতীয় সংসদে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ হয়। জাতীয় সংসদে এটি অনুমোদনের সময় স্থানের বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যগণ দ্বিমত পোষণ করলে পরে বিশ্ববিদ্যালয়টি সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে শহরের প্রবেশ পথে ‘দেখার হাওরপাড়ে’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এরপর থেকে স্বপ্নের এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের প্রক্রিয়ায় ধীরগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, যেহেতু জাতীয় সংসদে এটি অনুমোদন লাভ করেছে। যথাসময়ে এটির কাজ শুরু হবে এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সরকার। তবে জমি অধিগ্রহণসহ এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা এখনো আসেনি।