তৃতীয় বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উত্সবের গতকাল সমাপনী অনুষ্ঠানে উত্সবের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি এবং প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উভয় শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিশেষ জুরি শাখায় মোট ছয়টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ, শ্রেষ্ঠ সম্পাদনা, শ্রেষ্ঠ শব্দ পরিকল্পনা ও শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা পরিকল্পনায় আরো চারটি পুরস্কার দেওয়া হয়।
স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্রে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে সানতে বিনতে আফজালের ছবি ‘আশ্রয়’। এই বিভাগে ‘শব্দের ভেতর ঘর’ ছবির জন্য সেরা নির্মাতার পুরস্কার পেয়েছেন ফুয়াদুজ্জামান ফুয়াদ। বিশেষ জুরি শাখায় ‘দ্যা ক্রিমেশন’ ছবির জন্য মেহেদী হাসান শামীম এবং ‘রিভোল্ট’ ছবির জন্য পুরস্কার পেয়েছেন সংগীতা ঘোষ। প্রামাণ্যচিত্র শাখায় শ্রেষ্ঠ ছবি হয়েছে ‘হাউসের ধুয়া’। এই শাখায় ‘হাউসের ধুয়া’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ নির্মাতার পুরস্কার পেয়েছেন রাসেল রানা। বিশেষ জুরি পুরস্কার পেয়েছেন ‘আনতারা’ ছবির নির্মাতা ফরিদ আহমদ। এছাড়া শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ, শ্রেষ্ঠ সম্পাদনা ও শ্রেষ্ঠ শব্দ পরিকল্পনার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন ফুয়াদুজ্জামান ফুয়াদ ও রাসেল রাসা। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের জন্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার পুরস্কার। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা ১ লাখ টাকা। বিশেষ জুরি পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা। শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ ২৫ হাজার টাকা, শ্রেষ্ঠ সম্পাদনা ২৫ হাজার টাকা, শ্রেষ্ঠ শব্দ পরিকল্পনা ২৫ হাজার টাকা এবং শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা পরিকল্পনার জন্য ২৫ হাজার টাকার পুরস্কার দেওয়া হবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকী এবং বাংলাদেশ প্রামাণ্যচিত্র পর্ষদের সভাপতি ফরিদুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক এবং উত্সবের আহ্বায়ক আফসানা করিম মিমি। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
এ উত্সবে ৮১টি কাহিনিচিত্রের সঙ্গে প্রদর্শিত হয়েছে ৩৮টি প্রামাণ্যচিত্র। শিল্পকলা একাডেমির ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে বিনা দর্শনীতে দর্শকরা দেখতে পেরেছেন ছবি।