সেই ইউপি চেয়ারম্যানকে তালাক দিলেন কিশোরী

পটুয়াখালীর বাউফলে সেই বহুল আলোচিত সালিস বৈঠকের বিয়ে হওয়া ষাটোর্ধ্ব বয়সী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান বরকে মেনে নিতে না পেরে সেই কিশোরী পরদিন নিজেই তালাক দিয়েছেন। যে কাজী বিয়ে পড়িয়েছেন তার মাধ্যমেই তালাক দিয়ে পরিবারের কাছে ফিরে যায়। 

ঘটনাটি এখন এলাকার মানুষের মুখে তালাকের বিষয়টি কিশোরী ও তার বাবা অত্র প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেছেন। চেয়ারম্যান শাহীন কিশোরী কর্তৃক তালাক প্রদানের কথা স্বীকার করেছেন। 

জানা যায়, স্কুল পড়ুয়া এক কিশোরী প্রেমের টানে এক তরুণের হাত ধরে বাড়ি ছেড়েছিল। কিশোরীর বাবা জানতে পেরে সালিস দিয়েছিল ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদারের কাছে। চেয়ারম্যান সালিস বৈঠকে কিশোরীকে দেখে পছন্দ হয় এবং ওই বৈঠকেই কাজী ডেকে ৫ লক্ষ টাকা দেনমহরে কিশোরীকে বিয়ে করেন।

ওই কিশোরী জানায়, চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েছিলাম পছন্দের মানুষটির সাথে বিয়ে বসতে। কিন্তু ওই সময় যে কারণেই হউক বিয়ে করতে হয়েছে চেয়ারম্যানকে। আমি কোনভাবেই স্বামী হিসেবে চেয়ারম্যানকে মেনে নিতে পারিনি।  চেয়ারম্যান বুঝতে পেরে নিজেই তালাকের ব্যবস্থা  করেন।

এদিকে চেয়ারম্যানের সাথে বিয়ের কথা শুনে কিশোরীর প্রেমিক তরুণ আত্মহত্যার চেষ্টা করে অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা বাউফল হাসপাতালে নিয়ে যায়। 

ইত্তেফাক/এএএম