আন্তর্জাতিক নাট্যোত্সবে স্বপ্নদলের নাটক ‘হেলেন কেলার’

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ঢাকার নাট্যমঞ্চের আলোচিত নাটক ‘হেলেন কেলার’। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও সমাদৃত হয়েছে স্বপ্নদলের প্রযোজনাটি। সেই সুবাদে নাটকটি প্রদর্শিত হয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নাট্যদল ঢাকুরিয়া নাট্যমুখ আয়োজিত আন্তর্জাতিক অনলাইন থিয়েটার ফেস্টিভ্যালে। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ঢাকুরিয়া নাট্যমুখের ফেসবুক পেজ ও          ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়েছে মনোড্রামা ‘হেলেন কেলার’। একই দিনে স্বপ্নদল দেশে আয়োজন করেছে ফেসবুক লাইভ আলোচনা ও ‘হেলেন কেলার’-এর আংশিক অভিনয়।

স্বপ্নদলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সম্পাদক  জাহিদ রিপনের ফেসবুক থেকে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হয়। জাহিদ রিপনের সঞ্চালনায় এতে অতিথি ও আলোচক হিসেবে ছিলেন ভারতের আসামের গুয়াহাটির উইংস  থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা ও ভারতের হেলেন কেলার ভূমিকার অভিনেত্রী নাট্যজন কিসমত বানো, ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনের নাট্য সংগঠন অগ্নিমিত্রর সংগঠক-অভিনেতা-নাট্যজন সমীরণ ভৌমিক, জাপানের টোকিওর সাংস্কৃতিক সংগঠক দম্পতি তোমোকো তিথি-খন্দকার আসলাম হীরা, স্বপ্নদলের হেলেন কেলার ভূমিকার অভিনেত্রী নাট্যজন জুয়েনা শবনম প্রমুখ।

মহীয়সী নারী হেলেন কেলারের জীবন-কর্ম-স্বপ্ন-সংগ্রাম-দর্শনভিত্তিক প্রযোজনাটি রচনা করেছেন অপূর্ব কুমার কুন্ড। নির্দেশনা দিয়েছেন জাহিদ রিপন। দৃষ্টি, বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও প্রবল আত্মবিশ্বাস আর শিক্ষয়িত্রী অ্যান স্যুলিভানের অতিমানবিক প্রেরণায় একজন হেলেন কেলারের সব নেতিবাচকতার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনি নিয়ে আবর্তিত হয়েছে নাটকের ঘটনাপ্রবাহ।

শেষ হলো বিশ্ব সংগীত দিবসের

অনুষ্ঠানমালা

প্রকৃতি থেকেই সুর ও সংগীতের উত্পত্তি। বিস্তীর্ণ চরাচর, ধু-ধু মাঠ, ফসলের খেত, রাঙা ধুলোয় মোড়া মেঠো পথের পরতে পরতে মিশে আছে বাংলার গান। মিশে আছে এই বাংলার মানুষের মনে। মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কাজের ব্যস্ততা, অবসর ও নির্জনতার অনুভূতি মিশে আছে আমাদের গানে।

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শেষ দিনে বসেছিল লোকসংগীতের আসর। সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত ভাচুর্য়াল অনুষ্ঠানে শিল্পীদের গানে উঠে এলো চিরায়ত বাংলার লোকগান। লোকসংগীত নিয়ে আলোচনা করেন গবেষক সুমন কুমার দাশ। সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিত্ রায়।

জয়ীতা দোলা গেয়ে শোনান রাধারমণ দত্তের গান ‘সুরধ্বনির কিনারায়’ ও ‘সুখ হইলো না কালার পিরিতে’। শামীম হোসেন গেয়ে শোনান ভবা পাগলার গান ‘নদী ভরা ঢেউ বুঝে না তো কেউ’ ও দূরবীণ শাহের গান ‘কর বন্ধু যা লয় তোমার মনে’।

এরপর মো. রাসেল হোসেন কানাইলাল শীলের গান ‘পিঞ্জিরার পাখির মতো আমি’ ও সবদার আলী ভূঁইয়ার গান ‘থাকব না আর এই আবেশে’। এরপর সালমা রিনি ‘ওহো নিদয়ারে বন্ধু’ ও ‘ওরে ভাবের ছলে মজাইলেন মন’। মো. রহমতুল্লাহ্ গেয়ে শোনান ‘যারে ছেড়ে এলাম’ ও ‘সর্বনাশা পদ্মা নদী’।

জাকির হোসেন গেয়ে শোনান ‘বাবা কেরামত আলীর দোয়ায়’ ও ‘বাও কুমটা বাতাস যেমন ঘুরিয়া’। সবশেষে প্রণিতা মিত্র শোনান ‘তুমি কোন বা দেশে রইলা’ ও ‘চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি’।