জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, নীতিমালা সংশোধন করে সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে চিকিত্সক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। করোনার আপত্কালীন ঝুঁকি মোকাবিলায় হাসপাতালের সরঞ্জাম কেনাকাটায় বাড়তি থোক বরাদ্দ ও বিশেষ আর্থিক ক্ষমতা দিতে হবে। যে হাসপাতালে যে ধরনের চিকিত্সা সরঞ্জাম প্রয়োজন সেটাই দিতে হবে। অপ্রয়োজনীয় চিকিত্সা সরঞ্জাম দেওয়া বন্ধ করতে হবে। কেনাকাটার বরাদ্দ বছর শেষে মে-জুন মাসে দেওয়ার পুরোনো আমলাতান্ত্রিক ধারা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। করোনা চিকিত্সার ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতি জানতে গতকাল রবিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য, চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
করোনার চিকিত্সার ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতি বিষয়ে জানতে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার পর্যায়ক্রমে কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল তৃতীয় দিন তারা বিএসএমএমইউতে যান। বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শরফুদ্দিন আহমেদ তাদের স্বাগত জানান।
সাক্ষাত্কালে ইনু বলেন, চিকিত্সকদের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিভাতাও প্রদানের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। শূন্য পদে দ্রুত চিকিত্সক ও নার্স নিয়োগ দিয়ে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় উপাচার্য ও চিকিত্সকরা বলেন, মানুষকে যেন সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে আসতে না হয়, সেজন্য জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। মাস্ক ব্যবহার করলে, সাবান দিয়ে হাত ধুলে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলে, জনসমাগম এড়িয়ে চললে এবং একান্ত বাধ্য না হলে ভ্রমণ এড়িয়ে চললে সংক্রমণ বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।