আকরামের সিদ্ধান্তে সুজনের মনে ক্ষোভ
স্পোর্টস রিপোর্টার
সদ্য সমাপ্ত ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে আবাহনী লিমিটেড হ্যাটট্রিক শিরোপা জিতেছে খালেদ মাহমুদ সুজনের কোচিংয়ে। লিগের শেষ দিনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য নতুন স্পিন ও ব্যাটিং পরামর্শক নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের অধীনে দুই কোচের নিয়োগের বিন্দু বিসর্গও নাকি জানতেন না খালেদ মাহমুদ সুজন। এ বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান হয়েও মিটিংয়ে ডাক পান না, সিদ্ধান্ত জানতে পারেন না —গতকাল এমনটাই বলেছেন সুজন।
ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, অবহিত না করার বিষয়ে রীতিমতো ক্ষোভ ঝেড়েছেন সুজন। বোর্ডের দুই গুরুত্বপূর্ণ পরিচালক, সাবেক অধিনায়কের মাঝে দূরত্বটা স্পষ্ট। সেই দূরত্ব ঘুচাতে এগিয়ে এলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। গতকাল দুপুরে সুজনের খেদোক্তি দেখার পরই সন্ধ্যায় তাকে নিজের বাসায় ডেকেছেন বোর্ড সভাপতি।
জাতীয় দলের নতুন দুই কোচ নিয়োগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংবাদিকদেরকে গতকাল সুজন বলেছেন, ‘আমি তো ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান। আমি আপনাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম এই দুটো লোককে নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু আমাকে কেউ শেয়ার করেনি হয়তো আমি বাবলে ছিলাম বলে। বাবলে অবশ্য ফোন ছিল, আমাকে হয়তো জানানো হয়নি। আমি পত্রিকা পড়ে খবর শুনে জানতে পারলাম অ্যাশওয়েল প্রিন্স ও রঙ্গনা হেরাথকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। হেরাথের কথাটা আমিই বলেছি বিসিবিকে।’
ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র অসন্তোষ সুজনের মনে। তিনি বলেছেন, ‘আমি আসলে ভাইস চেয়ারম্যান আছি কি না অপারেশন্সে সেটা আমি নিশ্চিত না। কোনো মিটিং এটেন্ড করা হয় না বা কোনো সময় ডাকাও হয় না। মাঝে তো দুবছর ইমেইলই পাইনি। এখন কিছু কিছু পাই।’
বোর্ড সভাপতির হস্তক্ষেপের আগেই অবশ্য আকরাম খান নিজের ভুল মেনে নিয়েছেন। দুঃখ প্রকাশ করে বিসিবির এ পরিচালক বলেছেন, ‘ও (সুজন) গত ৩০ বছর ধরে আমার ছোট ভাইয়ের মতো। ওর প্রতি আমার কোনো রাগ, ক্ষোভ নেই। ও প্রিমিয়ার লিগে বাবলে ছিল, সম্ভবত আমরা ওর সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়েছি এবং তার জন্য আমি দুঃখিত। কিন্তু আমরা বড় কোনো সিদ্ধান্ত ওর মতামত ছাড়া নিই না।’