রাবিতে পদায়নের দাবিতে অ্যাডহক নিয়োগপ্রাপ্তদের ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

যোগদানের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দ্রুত পদায়নের দাবিতে গতকাল সোমবার ক্যাম্পাসে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সদ্য এডহকে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৩৮ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।  দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ তাজউদ্দিন আহমেদ সিনেট ভবনের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি থেকে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্তদের পদায়ন করা না হলে রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্যের পদত্যাগসহ   আমরণ অনশন কর্মসূচির আলটিমেটাম দিয়েছে নিয়োগপ্রাপ্তরা।

অন্যদিকে এডহক নিয়োগপ্রাপ্তদের একাংশের বিরুদ্ধে নগরীর মতিহার থানায় সাধারণ ডায়ারি (জিডি) করেছেন রাবির রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা। গতকাল বিকালে জিডিটি রেকর্ড করা হয় বলে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপাচার্যের পক্ষ থেকে একটা অভিযোগ এসেছিল। সেটি জিডি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক আদেশের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে এবং সে নির্দেশ আমলে নিয়ে তত্কালীন উপাচার্য সব নিয়োগ স্থগিত রাখেন। কিন্তু তার মেয়াদের শেষ দিন গত ৬ মে সেই স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে নিজ ক্ষমতাবলে ১৩৮ জনকে এডহকভিত্তিতে নিয়োগ দেন। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগে ৯ জন শিক্ষক আছেন।

মানববন্ধনে ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বক্তারা বলেন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা অনৈতিকভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ১৩৮ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদায়ন স্থগিত করে রেখেছেন। মূলত শিক্ষকদের দুই গ্রুপের দলাদলির কারণে এই নিয়োগ স্থগিত করে রাখা হয়েছে। শিক্ষকদের দলাদলিতে আমরা বলির পাঁঠা হতে চাই না।