শরীয়তপুর সদর উপজেলার গঙ্গানগর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৮ জুন) রাতে এ ঘটনায় নয়টি দোকান ভস্মীভূত হয়ে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইকবাল হোসেন অপু সার্বিক সহায়তা নিয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে সংবাদ পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মন্দীপ ঘরাই তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বাজারের নৈশপ্রহরী ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ২৮ জুন সোমবার রাত ১১ টার দিকে মান্নান বেপারীর লন্ড্রির দোকান থেকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লাগার পর পরই নৈশ প্রহরীরা বাজারের মসজিদের মাইক থেকে আগুন লাগার ঘোষণা দিলে শত শত এলাকাবাসী আগুন নেভানোর জন্য এগিয়ে আসেন। অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘটনাস্থলে আসেন। ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীর সহায়তায় প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত একটায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু বলেছেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান থাকায় আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আমি সোমবার রাতে সাথে সাথেই মুঠোফোনে জানতে পেরেছি। এছাড়া আমি তাৎক্ষনিক প্রশাসন, ফায়ার ষ্টেশন ও দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছি আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে।
তিনি জানান, ২ থেকে ১ দিনের মধ্যে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত গঙ্গানগর বাজার আমি পরিদর্শনে যাবো। ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যক্তিগত ও সরকারিভাবে সকল ধরনের সহায়তা প্রদানসহ তাদের পাশে থাকবো।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মন্দীপ ঘরাই বলেন, সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে যাই। রাত আড়াইটা পর্যন্ত গঙ্গানগর বাজারে অবস্থান শেষে ফিরে আসি। ব্যবসায়ী সমিতির লোকদের দায়িত্ব দিয়েছি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে আবেদন করার জন্য। তাদের আবেদন পেলেই সরকারি তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করা হবে।
ইত্তেফাক/এমএএম