বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে একজন শিক্ষক প্রভাষক পদে চাকরিতে যোগ দেন। চাকরিকাল ৮ বছর পার হলে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। কিন্তু পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনুপাত প্রথা চালু থাকায় অধিকাংশ শিক্ষককে প্রভাষক হিসেবেই চাকরিতে বহাল থাকতে হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ঐসব প্রভাষকের ছাত্রছাত্রী অন্য কলেজে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০-এ বলা হয়েছে—এমপিওভুক্ত প্রভাষকগণ ৫:২ অনুপাতে পদোন্নতি পাবেন সহকারী অধ্যাপক পদে। সহকারী অধ্যাপকদের মধ্য থেকে ৩:১ অনুপাতে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন।
এ ধরনের পদোন্নতির ক্ষেত্রে একটি অব্যবস্থা ও অনিয়মের চিত্র ফুটে ওঠে। অথচ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে আর্থিক ও মর্যাদার দিক থেকে সবাই সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার দাবিদার। সেক্ষেত্রে পদোন্নতি ৮ বছরের পরিবর্তে ১২ বছর চাকরিকাল মেয়াদে সকল প্রভাষক পেতে পারেন কি না, ভেবে দেখার সবিনয়ে নিবেদন রাখছি। বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের যুগোপযোগী শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে অব্যাহত প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে অথচ সহকারী অধ্যাপক পদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে সেই ৫:২ অনুপাত থেকেই যাচ্ছে—এটির যথার্থ বিহিত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান অতীব জরুরি। জাতি এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে শিক্ষকেরা মর্যাদায় পিছিয়ে থাকবেন কেন? বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. আবদুল লতিফ
প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ,
চৌবাড়ী ড.সালাম জাহানারা কলেজ,
কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ