কঠোর লকডাউনের প্রথমদিনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একেবারে যাত্রীশূন্য অবস্থায় রয়েছে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঘাটে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে পণ্যবাহী গাড়ি পারাপারে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
এই নৌরুটে বর্তমানে ১৪টি ফেরি সচল রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। চেকপোস্টের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লকডাউনের কার্যকর করতে কাজ করছে। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সড়কের সিরাজদিখানে নিমতলি এবং শিমুলিয়া ফেরিঘাটে এলাকায় ইতিমধ্যে বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।
বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম (মেরিন) আহমম্মদ আলী জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে বর্তমান ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। এসব ফেরিতে শুধুমাত্র পণ্যবাহী ট্রাক, জরুরি যান ও অ্যাম্বুলেন্সসহ পরিষেবার যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। যাত্রী উপস্থিতি নেই ঘাটে। পরিসেবার যানবাহন ছাড়া ঘাট এলাকা একেবারে ফাঁকা।
লৌহজং থানার ওসি আলমগীর হোসাইন জানান, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোন মানুষকে শিমুলিয়া ঘাটে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। জরুরি যানবাহন ছাড়া অন্যকোন যানবাহন চলতেও দেওয়া হচ্ছে না। চেকপোস্টের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। লকডাউনের বিধিনিষেধ কঠোরভাবে এখানে পালন করা হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল বলেন, ‘তিন প্লাটুন সেনাবাহিনী, দুই প্লাটুন বিজিবি এবং র্যাব সদস্যরা কুইক রেসপন্স টিম হিসাবে কাজ করছে। প্রবেশ পথে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গ্রাম পর্যায়ে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মসজিদ ভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। সিরাজদিখানে নিমতলি এবং শিমুলিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ইতিমধ্যে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।’
ইত্তেফাক/এএএম