লকডাউনে চাই খাদ্যের নিশ্চয়তা

সমগ্র পৃথিবী করোনা ভাইরাসের প্রকোপে যখন থমকে গিয়েছে তখন এই ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন সামাজিক দূরত্ব এবং লকডাউনের মতো বিভিন্ন উপায়? কিন্তু মানুষ সঠিকভাবে সামাজিক দুরত্ব না মেনে চলার কারনে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ হানা দিয়েছে। এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে সরকার ১লা জুলাই বৃহষপতিবার থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের ২১.৫ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে অবস্থান করে যারা সারাদিন দিনমজুর করে নিজেদের ভরনপোষণ করে। লকডাউনের কারনে তাদের রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা খাদ্য অনিশ্চয়তায় ভুগছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের ক্ষুধা দূর না করা গেলে লকডাউন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তাই সরকারকে এসকল মানুষের খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে প্রত্যেক এলাকায় খাদ্য বণ্টনের জন্য কমিটি গঠন করতে হবে। এবং যেসব জরুরি হেল্পলাইন রয়েছে সেখানে কল দিয়ে যেন প্রয়োজনীয় খাদ্য পাওয়া যায় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আবার শুধু সরকার বা উপর মহলের দিকে চেয়ে থাকলেই হবেনা এর সঙ্গে এলাকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের তার এলাকার মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই এই লকডাউনে সকলের খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

শাহরিয়ার হোসেন,

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।