রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বহুল আলোচিত বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিবারণ চন্দ বর্মনের বিরুদ্ধে নিজ থানায় কর্মরত কনস্টেবল মনিরুল ইসলামকে কর্তব্যরত অবস্থায় ‘অকথ্য’ ভাষায় গালিগালাজ করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ঐ কনস্টেবলের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা রিতা ২৭ জুন আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুলিশ কমিশনারের দপ্তর অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) রশীদুল হাসানকে দায়িত্ব দিয়েছেন। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
ঐ কনস্টেবলের স্ত্রীর দাবি, প্রাণনাশের হুমকির ফলে তার স্বামী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়ারি করা হয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি। কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি থানায় মুন্সী হিসেবে কর্মরত আছি। মামলা তদন্ত করেন অফিসাররা। তাদের কোনো ভুল হলে সেটার দায়ভার আমার নয়। কিন্ত ওসি কারণে-অকারণে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। মারধর করতেও ওঠেন। ২৬ জুনেও আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) রশীদুল হাসান (পিপিএম) বলেন, ‘বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়া হবে।’
অভিযোগের বিষয়ে ওসি নিবারণ চন্দ বলেন, ‘এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আমিই নিজের গাড়িতে করে পুলিশ হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিত্সা করিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে করা তার স্ত্রীর অভিযোগ সত্য নয়। মনিরুল কাজে প্রায়ই ভুল করে। সে দায়িত্ব পালন করতে না পারলে অন্যজনকে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। গালিগালাজ করা হয়নি।’