কারাবন্দি কিন্তু অসুস্থতার অজুহাতে হাসপাতালে থাকা ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিনের মোবাইল ফোন ব্যবহার ও জুম মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার ঘটনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্রিজন সেলের প্রধান কারারক্ষী, সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও ছয় জন কারারক্ষীকে ক্লোজড করা হয়েছে। এ ঘটনায় কারা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে পরবর্তী সাত কার্যদিবসে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার বিষয়ে কারা মহাপরিদর্শক সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে বিএসএমএমইউর প্রিজন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বৃহস্পতিবার রাতেই প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এছাড়া হাসপাতালের প্রিজন শেলে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের জন্য এক জন ডেপুটি জেলার নিয়োগ করা হবে।
কারা সূত্র জানায়, কারা অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের ডিআইজি তৌহিদুল ইসলামকে প্রধান করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—মুন্সীগঞ্জের জেল সুপার নুরুন্নবী ভুঁইয়া এবং নারায়ণগঞ্জের জেলার শাহ রফিকুল ইসলাম।
অভিযোগ রয়েছে, ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমিন কারাবন্দি হওয়া সত্ত্বেও বিএসএমএমইউর প্রিজন সেলের ভেতর ভিডিও অ্যাপ ‘জুম’ ব্যবহার করে সহযোগীদের সঙ্গে মিটিং করেন।