সক্রিয় কোয়ান্টামের দাফন-সেবা

বিশেষ প্রতিনিধি

সারা দেশে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও করোনায় মৃতদেহ দাফন বা সত্কারে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সক্রিয় রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের দাফন কার্যক্রম। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে শেষ বিদায় জানাতে দিনে বা রাতে ২৪ ঘণ্টা কাজ করে যাচ্ছেন কোয়ান্টামের স্বেচ্ছাসেবীরা। ২০২০ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার মরদেহের দাফন ও শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কর্মীরা। এর মধ্যে মুসলিম ৩ হাজার ৪২৮ জন, সনাতন ৪৮৭ জন। কাকরাইলে কোয়ান্টাম দাফন কার্যক্রমের দায়িত্বশীল খন্দকার সজিবুল ইসলাম জানান, ‘সারা দেশে কঠোর বিধিনিষেধের দুই দিনে (গতকাল রাত পর্যন্ত ) ঢাকায় আমরা ১০ জন মরদেহের শেষ বিদায়ে পাশে থাকতে পেরেছি।

গত বছর ২০২০ সালের এপ্রিলে করোনার শুরু থেকেই করোনা বা করোনা উপসর্গে মৃত ব্যক্তিদের দাফন বা শেষকৃত্যে অংশ নিচ্ছে কোয়ান্টাম। সপরিকল্পনা, স্বঅর্থায়ন আর স্বেচ্ছাসেবকদের স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে এ সেবা। ঢাকায় দাফন সেবায় সম্পৃক্ত  দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক। এদের কেউ শিক্ষার্থী, কেউ শিক্ষক, কেউ সাংবাদিক, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ আইনজীবী। নানান পেশার নানান বয়সি স্বেচ্ছাসেবকদের তালিকায় রয়েছেন আলাদা নারী স্বেচ্ছাসেবক দল। মুসলিম ছাড়াও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, কোয়ান্টামের বহুমুখী সেবার মধ্যে ২০০৪ সালে রাজশাহীতে দাফন সেবা কার্যক্রম চালু হয়। ২০২০ সাল থেকে এপর্যন্ত করোনাকালে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন করোনায় মৃতদের দাফন বা শেষকৃত্য করে আসছে ।