লকডাউনে বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা

ইত্তেফাক ডেস্ক

লকডাউনের তৃতীয় দিন শনিবার বিভিন্ন স্থানে বিধিনিষেধ অমান্য করায় ব্যবসায়ী, দোকানদার ও পথচারীদের জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) :চন্দনাইশে ২০ জনকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহাফুজা জেরিনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত চন্দনাইশ সদর, বরকল সড়কের মহাজন ঘাটা, সাতঘাটিকা পুকুর পাড়, কালির হাট ও মৌলভীবাজার এলাকায় মাস্ক ব্যবহার না করায় এবং বেচাকেনার সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখায় এসব জরিমানা আদায় করে।

স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) :স্বরূপকাঠিতে বিধিনিষেধ অমান্য করার ছয় জনকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বশির গাজী এ জরিমানা করেন। পুলিশের সহয়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলার ইন্দুরহাট ও মিয়ারহাট বন্দরে অভিযান চালিয়ে দোকান খোলা ও অকারণে ঘোরাফেরার অপরাধে ছয় ব্যক্তিকে জরিমানা করেন। 

সৈয়দপুর (নীলফামারী) :দুপুরে বিধিনিষেধ অমান্যকারী ২৪ জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়ে নীলফামারী জেলহাজতে পাঠিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, শহরে অযথা ঘোরাঘুরি ও মুখে মাস্ক না থাকায় ৫০ জনের ওপরে আটক করা হয়। ২৪ জনকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রমিজ আলম।

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) :লোহাগাড়ায় অযথা ঘোরাঘুরির দায়ে ৩১টি মামলায় ৪ হাজার ৩৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলার বটতলী-আমিরাবাদ মোটর স্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব জিতু। 

মনোহরদী (নরসিংদী) : লকডাউনে বিধিনিষেধ না মানার কারণে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম কাসেম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজিবুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২১ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করেন।