ডেনিশদের সাফল্যের নেপথ্যে এরিকসেন

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ডেনমার্ক কি পারবে রূপকথা লিখতে

 স্পোর্টস ডেস্ক

১৯৯২ সালের ইউরোতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ডেনমার্ক এবার কি পারবে সেই রূপকথা লিখতে? তাদের সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। সেই বাধা টপকে গিয়ে ফাইনালের টিকিট পাওয়া কতটা কঠিন, তা সহজেই বোঝা যায়। তাহলে কীভাবে, কার জন্য লেখা হচ্ছে ফুটবল মাঠের এই ডেনিশ রূপকথা? ডেনমার্ক শিবিরে কান পাতলেই এর উত্তর পাওয়া যাবে। এবারের ইউরোতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে এরিকসেন হার্ট অ্যাটাক করে হঠাত্ই মাঠে লুটিয়ে পড়েন। এরপর হাসপাতালে যেতে হয়ে তাকে। সেই ম্যাচে ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে ডেনিশরা হেরে গেলেও এখন তারা উঠে গেছে সেমিফাইনালে। দলের অধিনায়ক সিমোন কায়ের বলেছেন, তাদের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন এরিকসেন।

এবারের ইউরোতে ডেনিশরা এতটা ভালো খেলবে বলে ধারণা করতে পারেননি অনেকেই। হঠাত্ করে তাদের এত ভালো ফুটবল উপহার দেওয়ার রহস্য কী, সেটা চেকদের হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর জানিয়েছেন দলের অধিনায়ক সিমোন কায়ের। এরিকসেনের হঠাত্ই অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি তাদের জন্য বিশেষ প্রেরণা দিয়েছে। এরিকসেনের জন্যই তারা নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে খেলেছেন। শেষ ষোলোর ম্যাচ শেষে সিমোন কায়ের বলেছেন, ‘এরিকসেনের অসুস্থতা দলটিকে বিশেষ কী যেন দিয়েছে। এ ঘটনার পর আমরা বুঝতে পেরেছি যে আমাদের মধ্যে কেউ যদি বিপদে পড়ে, তাহলে তার জন্য কেউ না কেউ আছে। এটা আমাদের নিরাপত্তা দিয়েছে এবং অবশ্যই ক্রিশ্চিয়ানকেও একটা ভালো অনুভূতি দিয়েছে।’