কিছু হোটেল খোলা রাখতে বিভাগীয়
কমিশনারের নির্দেশ
বরিশাল অফিস
কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনে প্রশাসনের নির্দেশে বরিশালের সব হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের রোগী ও তাদের স্বজনরা। গত দুই দিন ধরে খাবারের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে তারা। এ কারণে মেডিক্যালের সামনের হোটেলগুলো সম্মিলিতভাবে খাবার রান্না করে গত দুই দিন ধরে বিনা মূল্যে রোগীর স্বজনদের মধ্যে খিচুড়ি বিতরণ করছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি—অতিদ্রুত হাসপাতালের সামনের হোটেলগুলো খুলে দেওয়া হোক। রোগীর স্বজনরা জানান, প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী ভর্তি থাকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের খাবার নিম্নমানের হওয়ায় বাইরে থেকে খাবার কিনে নেন তারা। তবে হোটেল বন্ধ করে দেওয়ায় খাবারসংকটে পড়েছেন তারা। কেউ কলা ও রুটি খেয়েই দিন পার করছেন। হাসপাতালের সামনের খাবার হোটেল মালিকরা জানান, দুই দিন যাবত্ সকাল থেকে মানুষ হাহাকার করছে খাবারের জন্য। আমরা হোটেল মালিক মিলে শনিবার সকালে এবং গতকাল রবিবার দুপুরে হোটেলের সামনে অপেক্ষা করা কয়েক শ মানুষকে বিনা মূল্যে খিচুড়ি দিয়েছি। যেটা সামনে করা কতটা সম্ভব জানি না।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদল ইত্তেফাককে জানান, তিনি বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল জেলা প্রশাসককে রোগী ও তার স্বজনদের খাবার সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি খাবার হোটেল চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন।