যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে করোনা মুক্তির উৎসব পালন করছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এতে এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম এত অতিথি নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন বাইডেন। যদিও করোনার ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে উদ্বেগ বাড়ছে। খবর সিএনএনের।
This Fourth of July, America is back.
— President Biden (@POTUS) July 4, 2021
We’re headed into a summer of joy – of freedom – thanks to the millions of Americans who stepped up to get vaccinated. To the frontline and essential workers who have made this day possible: thank you. pic.twitter.com/g6cztrJDT8
স্থানীয় সময় রবিবার (৪ জুলাই) হোয়াইট হাউজের সাউথ লনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ন্যাশনাল মলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আতশবাজির খেলা। আমন্ত্রিত অতিথিদের বেশির ভাগ সামরিক বাহিনী এবং জরুরি স্বাস্থ্যকর্মী। তারা পরিবার নিয়েও আসতে পারবেন। করোনা ভাইরাস মহামারির সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দেওয়ার কারণে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই এই সম্মান দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেছেন, অনুষ্ঠানে আগতদের আসার আগে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করাতে হবে। যারা টিকা নেননি তাদের অনুষ্ঠানে মাস্ক পরতে হবে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন এমন সময় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন যখন কর্মকর্তারা ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সতর্ক করছেন।
হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা জানান, ছুটির দিনগুলোতে বিভিন্ন পার্টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় নাগরিকরা টিকা গ্রহণ করেননি, সেখানে ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন যে, স্বাধীনতা দিবস ৪ জুলাইয়ের আগে যে পরিমাণ টিকা দেওয়ার লক্ষ ছিল তা পূরণ করা যায়নি।
প্রেসিডেন্ট বাইডেন চেয়েছিলেন, ৪ জুলাইয়ের আগে ৭০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক বা ১৬০ মিলিয়ন আমেরিকানকে অন্তত টিকার এক ডোজ দিতে। কিন্তু শুক্রবার পর্যন্ত ৬৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ককে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে সিডিসি জানিয়েছে। করোনা প্রতিরোধে চেষ্টা চলছে বিভিন্নভাবে। টিকা কম বা না নেওয়া এলাকাগুলোতে জরুরি ব্যবস্থায় কাজ করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীনতা দিবসে বাইডেন যতই করোনা মুক্তির উৎসব করুন না কেন, তার সামনে সংকট ও মাথাব্যথা সৃষ্টি হওয়ার মতো বেশকিছু বিষয় আছে। এর মধ্যে রয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু মোকাবিলা, বিভক্ত কংগ্রেস এবং প্রতিশোধপরায়ণ আচরণ করা সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামলানো ইত্যাদি।
ইত্তেফাক/টিআর