স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা: সবুজবাগ থানায় বাবার মামলা

রাজধানীর বাসাবো এলাকায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় স্থানীয় দুই যুবকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। আজ সোমবার (৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর সবুজবাগ থানায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

রবিবার রাতে রাজধানীর বাসাবো এলাকায় উর্মি আক্তার (১৪) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। এরপরই মুমূর্ষু অবস্থায় পরিবারের লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাসাবোতে তার নানার বাড়িতে থাকতো উর্মি। সেখানে থেকেই স্থানীয় একটি স্কুলে পড়তো। উর্মির ফুফা জনি শেখ জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ওই স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ছবি ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলে ব্ল্যাকমেইল করে এক বখাটে। বিষয়টি উর্মি তার পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকজন তাকে শাসন করে। পরে অভিমানে গতকাল রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। জনি শেখ বলেন, ছেলেটার নাম জানতে পারিনি, তবে একই এলাকায় থাকে।

উর্মি আক্তারের বাবার নাম আবুল হোসেন এবং মায়ের নাম ঝর্ণা আকতার। আবুল হোসেনের রিকশার গ্যারেজ আছে। মা সিটি করপোরেশনের ক্লিনার পদে চাকরি করেন। দুই বোনের মধ্যে উর্মি ছিল বড়। তার মা-বাবা এবং ছোট বোন ধল-পুর এলাকায় বসবাস করেন।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি