করোনা সংক্রমণরোধে রংপুরে লালবাগ পশুর হাটসহ ৩৫টি হাট বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। রবিবার ছিল লালবাগের হাট; কিন্তু সকালে স্থানীয় প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট, র্যাব, পুলিশ গিয়ে এসব হাট বন্ধ করে দেয়। ফলে অনেকেই গরু বিক্রি করতে এসে ফিরে গেছেন। সেই সঙ্গে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাটের ইজারাদাররা।
জানা গেছে, রংপুর নগরীতে সবচেয়ে বড় হাট লালবাগ। কোরবানির ঈদের প্রধান আকর্ষণ এই হাট। সপ্তাহে দুই দিন রবি ও বুধবার এই হাট বসে। ঈদের এক মাস আগে থেকে এখানে কোরবানি পশু কেনাবেচা চলে। উল্লেখ্য, লালবাগ পশুর হাট ছাড়া জেলায় বন্ধ হওয়া অন্য হাটগুলোতে সাধারণ পণ্যসামগ্রী বেচাকেনা হয়। তবে কোরবানির সময় এগুলোতে পশু বেচাকেনা হয়ে থাকে। পশুর হাটের জনসমাগম বৃদ্ধি পেলে করোনা সংক্রণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই স্থানীয় প্রশাসন নগরীর লালবাগ, বুড়ির হাটসহ জেলার আট উপজেলায় প্রায় ৩৫টি হাট বন্ধ ঘোষণা করেছে।
নগরীর লালবাগ হাটের ইজারাদার আবদুল্লা হিল কাফি বলেন, ‘প্রায় আড়াই কোটি টাকায় হাটের ডাক নেওয়া হয়েছে। হাটের সবচেয়ে বড় আয়ের উত্স কোরবানির বেচাকেনা।’ জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ রোধে আপাতত পশুর হাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তের আলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এগুলো বন্ধ থাকবে।’