নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের উপহার হিসেবে হাঁড়িভাঙা আম পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ভিভিআইপি উপহার সামগ্রী হিসেবে ১ হাজার কেজি আম (১০০ কার্টুন) বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে পাঠানো হয়েছে। বিকালে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ও কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারত-বাংলাদেশ জিরো পয়েন্ট দিয়ে ভারতের ফুলবাড়ী স্থলবন্দর হয়ে যাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই উপহার সামগ্রীর মৌসুমি আম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল এসপি রাকিবুল হাসান (সদর সার্কেল), রাজস্ব কর্মকর্তা রতন কুমার শীল, ইমিগ্রেশন ওসি নজরুল ইসলাম, মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বেনজির আহম্মেদ, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ব্যবস্থাপক এ কে এম আজাদ, ইন্সপেক্টর সারোওয়ার আলম ও বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার ওয়াহিদুল হকসহ স্থলবন্দরের অন্য কর্মকর্তা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুব প্রিয় হাঁড়িভাঙা আম। উত্তরবঙ্গের প্রসিদ্ধ এ আম। প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা হিসেবে প্রতিবেশী বন্ধু দেশ নেপালে এই আম পাঠালেন।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ৩০০ কেজি আম
আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা জানান, উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ভিভিআইপি উপহার হিসাবে বাংলাদেশের হাঁড়িভাঙা আম পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে ৩০০ কেজি হাঁড়িভাঙা আম পাঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই উপহারের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরো মজবুত হবে বলে অভিমত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের।
দুপুরে দুই দেশের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ৩০টি কার্টনবোঝাই ৩০০ কেজি হাঁড়িভাঙা আম ভারতের প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেয় বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সু-সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার জন্য এই আম পাঠিয়েছেন হাসিনা সরকার।
এ সময় আগরতলার বাংলাদেশ দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার মোহাম্মদ যোবায়েদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম পাঠিয়েছেন। এতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো মজবুত হবে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক সম্পর্কও আরো দৃঢ় হবে।
আম হস্তান্তরের সময় আগরতলার বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. আসাদুজ্জামান, আখাউড়া স্থলবন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, ত্রিপুরা স্থলবন্দরের কর্মকর্তা নন্দী বাবু, স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, স্থলবন্দর বিওপির বিজিবি কর্মকর্তা সুবেদার আব্দুর রহমান, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা আব্দুল হামিদসহ সীমান্তের শূন্য রেখায় দুই দেশের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।